September 18, 2026, 4:43 pm

রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করতে আবাহনী ও ধানমন্ডি মাঠ ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে

Reporter Name
  • আপডেট Thursday, September 17, 2026
  • 24 জন দেখেছে

ক্রীড়া ডেস্ক:: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, গত ১৭ বছরে দেশের ক্রীড়া ক্লাবগুলো যেভাবে রাজনৈতি কীকরণের শিকার হয়েছে, সেখান থেকে বের হয়ে আসতে চায় সরকার। নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলে মাঠগুলো খেলাধুলার মানোন্নয়ন ও খেলোয়াড় তৈরির কাজে ব্যবহার করা হবে। রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠ ও ধানমন্ডি মাঠের সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। ধানমন্ডির আবাহনী মাঠ ও ধানমন্ডি মাঠের দেখভালের দায়িত্ব নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধানমন্ডির মাঠ দুটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। এগুলো কোনো একটি ক্লাব বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। শিশু, তরুণ, নারী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ যাতে নিরাপদ পরিবেশে খেলাধুলা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। মাঠের মূল উদ্দেশ্য খেলাধুলা এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সুযোগ—এটি অক্ষুণ্ন রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন মো. আমিনুল হক।
আবাহনী মাঠে ফুটবল ও ক্রিকেট মাঠের পাশাপাশি বাস্কেটবল কোর্ট, জিমনেসিয়াম, ক্লাব টেন্টসহ বিভিন্ন অবকাঠামো রয়েছে। এসব স্থাপনা ভেঙে না ফেলে সংস্কার করে ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
আমিনুল হক বলেন, ধানমন্ডি মাঠের বিদ্যমান অবকাঠামোও উন্নত করা হবে। সেখানে আর্চারি, শুটিং, ফুটসাল, প্যাডেল ও পাঁচজনের হকির জন্য ছোট টার্ফ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। মাঠ দুটির উন্নয়ন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা পিপিপি মডেলে করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু অবকাঠামো তৈরি করলেই হবে না, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অনেক ভালো অবকাঠামো ও পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। যাদের মাঠ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাঁদের মাঠ খেলার উপযোগী রাখা এবং পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ফুটসাল মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের মালিকানাধীন অন্য মাঠগুলোও পর্যায়ক্রমে সংস্কার করে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর