ক্রীড়া ডেস্ক :: ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর মাঝেই চলছে আরেকটি বিশ্বকাপ—নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ১২ জুন শুরু হওয়া এই বিশ্বকাপে খেলছে বাংলাদেশও। প্রতিযোগিতায় আজই প্রথম মাঠে নামছেন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। প্রথম ম্যাচে জ্যোতিদের প্রতিপক্ষ—নেদারল্যান্ডস।
বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস ছাড়াও আরও দশট দল অংশ নিচ্ছে বিশ্বকাপে। মোট ১২টি দল দুই ভাগে ভাগ হয়ে খেলবে। বাংলাদেশ পড়েছে গ্রুপ ১-এ, যেখানে অন্যান্য দল হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। আর ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলবে গ্রুপ ২-এ।
এই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতিটা মোটেও ভালো হয়নি। নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের দুটিতেই হেরেছেন জ্যোতিরা। প্রস্তুতি ম্যাচের ফল সমর্থকদের হতাশ করলেও মূল মঞ্চে ভালো করতে চায় দল। ২০১৪ সালে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই দুটি ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে এরপর দীর্ঘ ১০ বছর জয়হীন থাকতে হয় মেয়েদের। লম্বা সেই জয় বন্ধ্যাত্ব ঘোচে ২০২৪ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে। এবারও ভালো কিছুরই স্বপ্ন দেখছেন জ্যোতি, ‘আমরা দীর্ঘদিন জয়হীন পথ পাড়ি দিয়ে এসেছি। তবে এটাকে চাপ হিসেবে দেখছি না, বরং ইতিহাস পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। গত বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া জয় আমাদের দারুণ অনুভূতি দিয়েছে। আগের তুলনায় এখন আমরা অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ দল।’ কঠিন গ্রুপে পড়লেও দলকে নিয়ে আশাবাদী জ্যোতি, ‘আমরা বিশ্বাস করি যেকোনো ম্যাচই জেতা সম্ভব এবং এবার আমরা আমাদের সর্বকালের সেরা টুর্নামেন্ট খেলতে চাই।’ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে বার্মিংহাম ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। এরপর ১৭ জুন হেডিংলিতে অস্ট্রেলিয়া, ২০ জুন সাউদাম্পটনে পাকিস্তান, ২৫ জুন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ভারত এবং ২৮ জুন লর্ডসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবেন জ্যোতিরা। গ্রুপ পর্বের সেরা দুই দলকে নিয়ে ৩০ জুন ও ২ জুলাই হবে দুটি সেমিফাইনাল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ৫ জুলাই, লর্ডসে।