ক্রীড়া ডেস্ক :: জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ১১তম আসর আগামীকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের আসরে ৬৪ জেলার ৩৫০ স্কুলের সাড়ে আট হাজারের বেশি ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছে। টুর্নামেন্টে মোট ম্যাচ হবে ৬৫১টি। এবারের আসরে পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে প্রাইম ব্যাংক।
আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হবে জেলা পর্যায়ের ম্যাচগুলো। জেলা পর্যায় শেষে শুরু হবে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের খেলা। আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত হয় টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম এ. চৌধুরী, সিনিয়র সহকারী ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং ব্র্যান্ড ও কমিউনিকেশনের প্রধান সৈয়দ রায়হান তারিক, সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন, টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, স্কুল ক্রিকেট থেকে উঠে আসা জাতীয় দলের তারকা তাওহীদ হৃদয়। উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মো. নাজিম এ. চৌধুরী বলেন, ‘আমরা দেখেছি যে, স্কুল ক্রিকেট খেলা প্রায় ১০-১২ জন ক্রিকেটার আছেন; যারা সর্ব্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছেন। এটা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য আনন্দ ও গর্বের। ১০ বছর ধরেই স্কুল ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষক প্রাইম ব্যাংক। এটা আমাদের জন্য একটা আবেগের জায়গাও বটে। বিসিবিকে সাধুবাদ এই টুর্নামেন্টটা সফলভাবে পরিচালনার জন্য।’
২০১৫ সালে শুরু হওয়া প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটে বিভিন্ন সময়ে অংশ নিয়েছে ৩ হাজার ৫০৭ স্কুল। দেশের সব প্রান্তে মাঠে গড়ানো ৬ হাজার ১৯৫ ম্যাচে খেলেছে ৭৬ হাজার ২৩৫ স্কুল ক্রিকেটার; যা বাংলাদেশের যে কোন পর্যায়ের ক্রিকেটে সর্ব্বোচ্চ। এছাড়া প্রতি বছর প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটের মৌসুম শেষে, বিসিবির বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটের নির্বাচকদের নির্বাচনের ভিত্তিতে সেরা ১৫ ক্রিকেটারকে বৃত্তি দিয়ে আসছে প্রাইম ব্যাংক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অনুরোধে বৃত্তি সংখ্যা এই বছর ১৫ থেকে ২৫ করা হয়েছে। স্কলারশিপের পরিমাণও বছরে ৬০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।