ক্রীড়া প্রতিবেদক:: সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। এবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে বাঁচা-মরার এই লড়াই। ম্যাচে জিতলে ফাইনালে ওঠার আশা বেঁচে থাকবে বাংলাদেশের। তবে এজন্য নেট রান রেটের কঠিন সমীকরণও মেলাতে হবে।
জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পথে শক্ত অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। নেট রান রেটে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশের কাছে হারলেও ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে তাদের। অন্যদিকে, আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে নেট রান রেটে জিম্বাবুয়েকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের।
এক ম্যাচে জয় পেয়ে +৩.১৬০ নেট রান রেট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান। এক জয় ও এক হারে -০.৫৯০ নেট রান রেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জিম্বাবুয়ে। আর প্রথম ম্যাচে হারের পর -১.৯৮০ নেট রান রেট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
আজকের ম্যাচে আগে ব্যাটিং করলে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হবে বাংলাদেশকে। আর পরে ব্যাটিং করলে জয়ের সমীকরণ নির্ভর করবে প্রতিপক্ষের দেওয়া লক্ষ্যের ওপর। হিসাব অনুযায়ী, ২০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪০.২ ওভারের মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে টাইগারদের। ২২০ রানের লক্ষ্য হলে জিততে হবে ৪০.৫ ওভারের মধ্যে। ২৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪১.১ ওভারের মধ্যে। আর ২৫০ রানের লক্ষ্য পেলে জিততে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে।
এ ছাড়া ২৬০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪১.৪ ওভারে, ২৭০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪১.৫ ওভারে, ২৮০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪২ ওভারে এবং ৩০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪২.২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে বাংলাদেশকে।
ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ২২ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। দুই দলই জিতেছে ১১টি করে ম্যাচ। তবে সর্বশেষ ছয় দেখায় পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে আফগানরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ ও আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে তাদের এই পাঁচটি জয়।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত/মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম।
আফগানিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ:
রহমত শাহ (অধিনায়ক), রহমানউল্লাহ গুরবাজ, সেদিকুল্লাহ আতাল, ইব্রাহিম জাদরান, হাশমতউল্লাহ শহিদি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, জিয়া-উর-রহমান শরিফি, ফজল হক ফারুকি ও ইয়ামিন আহমদজাই।