July 21, 2026, 2:10 am

যে ৫ কারণে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারে স্পেন

Reporter Name
  • আপডেট Sunday, July 19, 2026
  • 18 জন দেখেছে

ক্রীড়া ডেস্ক:: দীর্ঘ ১৬ বছর বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে স্পেন। শেষবার যখন ফাইনাল খেলে সেবার চ্যাম্পিয়নও হয় তারা।
২০১০ বিশ্বকাপের ট্রফিই তাদের ফুটবল ইতিহাসের প্রথম শিরোপা। এবার দ্বিতীয়বার সোনালি ট্রফি ঘরে তোলার সুযোগ তাদের সামনে। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্পেন ৫ কারণে বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরার সুযোগ পেতে পারেন।
চলুন দেখে নেওয়া যাক সেই ৫ কারণ—
অপরাজেয় যন্ত্র
যন্ত্র যেমন নিরবচ্ছিন্ন কাজ করতে সক্ষম, তেমনি কয়েক বছর ধরে দুর্দান্ত ছন্দে আছে স্পেনও।
এতটাই যে টানা সর্বোচ্চ ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত তারা। তাদের মতো ইতালিও সমান ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত ছিল। আজ সেই রেকর্ড নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে তারা। এর জন্য মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ রাতে আর্জেন্টিনাকে হারাতে হবে।
তাহলেই এক ঢিলে দুই পাখি মারতে পারবে। বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গে অপরাজিত থাকার রেকর্ডও গড়বে।
২০১০ বিশ্বকাপ জয়ের মতোই সাদৃশ্য
ফুটবল অনেক সময় কাকতালীয় ঘটনাকে সামনে আনে। এবার তেমনি স্পেনের ক্ষেত্রে ঘটার পথে। ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের সঙ্গে এবারের বিশ্বকাপের এই অবিশ্বাস্য মিলগুলো স্পেনের ফুটবল ভক্তদের মনে আবার বিশ্বকাপ জয়ের আশা জাগিয়ে তুলছে।
দুই বিশ্বকাপের প্রধান মিলগুলো তুলে ধরা হলো—
উদ্বোধনী ম্যাচ ও থিম সং : ২০১০ সালের মতো এবারও উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং গেয়েছেন শাকিরা।
ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন ও বার্সেলোনা সংযোগ : ২০১০ বিশ্বকাপে স্পেন পা রেখেছিল ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে। সেবার বার্সেলোনার ৮ জন খেলোয়াড় ছিলেন। এবারও ঠিক একই পটভূমি।
গ্রুপ পর্ব ও মার্সেলো বিয়েলসা : ২০১০ সালে স্পেন ছিল ‘এইচ গ্রুপে’ এবং গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে তাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল মার্সেলো বিয়েলসার কোচিংয়ে থাকা একটি লাতিন আমেরিকান দলের। ২০২৬ সালেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। এবার উরুগুয়ের ডাগআউটে ছিলেন বিয়েলসা।
ঘরোয়া ফুটবল ও মরিনহো ফ্যাক্টর : মাঠের বাইরের কাকতালীয় ঘটনাও হুবহু মিলে যাচ্ছে। বার্সেলোনা বর্তমান লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন, আতলেতিকো মাদ্রিদ কোপা দেল রে-তে রানার্স-আপ হয়েছে এবং হোসে মরিনহো রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব নিয়েছেন।
নতুন সোনালি প্রজন্ম
২০১০ বিশ্বকাপ ও ইউরোজয়ী আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা-জাভি হার্নান্দেজ-ইকার ক্যাসিয়াসরা নিশ্চিতভাবেই স্পেনের এখন পর্যন্ত সেরা ও সোনালি প্রজন্ম। তাদের মতোই এবার নতুন সোনালি প্রজন্ম পেয়েছে স্পেন। লামিনে ইয়ামাল, পাউ ‍কুবারসি, রদ্রি, পেদ্রিদের। যারা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন।
তারা প্রমাণ করেছে বিশ্বসেরাদের হারাতে পারে
ফাইনালের টিকিট পাওয়ার পথে বিশ্বের সেরা দলদের হারিয়েছে স্পেন। পর্তুগাল, বেলজিয়ামের পর দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে সেমিফাইনালে হারিয়েছে তারা। অতিরিক্ত সময় কিংবা পেনাল্টিতে নয়, নির্ধারিত সময়েই প্রতিপক্ষদের ধরাশায়ী করেছে স্পেন।
ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের চেয়ে দলীয় পারফরম্যান্সে বিশ্বাসী
স্পেনের বরাবরই শক্তির জায়গা দলীয় পারফরম্যান্স। এবারের দলটিও সেই সামর্থেরই প্রদর্শন করেছে বিশ্বকাপে। শুধু একজন নয়, ম্যাচ বাই ম্যাচ জয়ের নায়ক ভিন্ন হচ্ছেন। আর একসঙ্গে পজেশনাল, প্রেসিং ও গোলের সুযোগ তৈরি করছেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর