আভিজাত্যের অন্দরে অন্দরে বিশ্বাসের মন্বন্তর!
উঠোনে উঠোনে খানদানী দেয়াল
সিংহদুয়ারজুড়ে লৌহ কবাট
দুয়ারে দুয়ারে অন্তহীন তালা
জানালায় জানালায় পর্দার আস্তর
পুলিশ, দারোয়ান, ক্যামেরা আরও কতো কী…
টোকাই দুনিয়ায় কারও ঘর-বাড়ি থাকেনা
থাকেনা শখের বারান্দা, এক টুকরো উঠোন,
ঈশ্বরের গন্ধম বাগানে গলাগলি করে
বড় হয় বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের জমজ!
ঈশ্বরের সেই অপার্থিব ভুবনে
লৌকিক মানুষের সোনার হরিণের জন্ম ও মরণ!
ফুটপাতের টোকাই সংসারে ঘিনঘিনে দুঃখগুলো
সস্তা পাউডারের মতো
গরিব গরিব গন্ধ হয়ে আচানক উবে যায়।
জনম নামের অসুখের কারখানায়
বদ্যির ঔষধ-পথ্য ছাড়া
সুখগুলো উষ্কখুষ্ক দাউদের মতো চুলকায়!
হাটের প্রথম প্রহরে বাজার জমে উঠার আগে
গাইটের জঠর ফুঁড়ে বের হয়
সাজানো নিকোনো সংসারের মতো আস্ত দোকান।
অবিশ্বাসের মোহনা শেষ হলেই বিশ্বাসের তাবৎ সমুদ্র
গুলিস্থানের হকারের কাছে বিশ্বাসের পাঠ নিয়েছি
রাত কেটে যায় বিশ্বাসের চৌহদ্দিতে
গাইট ঢেকে দিলেই কেল্লাফতে!!!
লেখক: বেনজির আহমেদ জুয়েল