মো: জাফর আলী :: গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর দাড়াইল পশ্চিমপাড়ায় এলাকায় গত ৬ জুলাই হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, কুপিয়ে আহত ও লুটপাটের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় টঙ্গী পশ্চিম থানা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন খোকন, তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে আশরাফুল ইসলাম অন্তরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর গত বুধবার তারা জামিনে মুক্ত হন।
মুক্তি পাওয়ার পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) দাড়াইল পশ্চিপাড়া এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, একটি কুচক্রী মহল আমাকেসহ আমার পরিবারের সদস্যদেরকে সামাজিকভাবে হেয়পতিপন্ন করার জন্য বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়েছে। এই চক্রটি সাম্প্রদায়িক ইস্যু বানিয়ে বিএনপি ও বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা লিপ্ত রয়েছে। ওই ঘটনাটি ছিল ব্যক্তিগত বিরোধ ও ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্ট একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ সময় তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে আশরাফুল ইসলাম অন্তরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার দিন স্থানীয় একটি সালিশে বাদী শ্রী নীর মোহন তাঁর ওপর চড়াও হয়ে গলা চেপে ধরেন। সালিশে উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে উত্তেজিত কিছু লোক নীর মোহনের বাড়ির দিকে গেলে গেট বা দরজায় আঘাতের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এজাহারে বর্ণিত হামলা, কুপিয়ে আহত করা, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে আশরাফুল ইসলাম অন্তর কোনো হামলা, ভাঙচুর বা লুটপাটে জড়িত ছিলেন না। এরপরও তাঁকে মামলায় আসামি করে গ্রেফতার করা হয়েছে। একটি ব্যক্তিগত বিরোধকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।