April 20, 2026, 11:58 pm

যশোরে ইয়াবাসহ নগদ টাকা উদ্ধার, কারবারি আটক

Reporter Name
  • আপডেট Friday, April 10, 2026
  • 29 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: যশোরের ঝিকরগাছায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৯ লাখ ৭৪ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় জিয়াউর রহমান (৫৫) নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নাভারণ পুরাতন বাজার রেলক্রসিং ও কুন্দিপুর গ্রামে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাকে আটক ও এসব আলামত উদ্ধার করা হয়। এদিন দুপুরে যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন। আটক জিয়াউর রহমান বেনাপোল পোর্ট থানার বড় আঁচড়া গ্রামের মৃত আদম আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার কুন্দিপুর গ্রামে বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি যশোরের এসআই (নি.) সালাউদ্দিন খানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম সকাল থেকেই নাভারণ এলাকায় অবস্থান নেয় এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির গতিবিধি নজরদারিতে রাখে। সকাল আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে কুন্দিপুর গ্রামের রেলক্রসিং এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জিয়াউর রহমান দ্রুত পালানোর চেষ্টা করেন।
এ সময় ডিবি সদস্যরা ধাওয়া করে তাকে আটক করতে সক্ষম হন। ঘটনাস্থলেই তার দেহ তল্লাশি করে পকেট থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের দল কুন্দিপুরে তার বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে বাড়ির শয়নকক্ষ তল্লাশি করে সানসেটের ওপর থেকে আরও ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
একই সঙ্গে ঘরের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে জুতার র‌্যাকের ভেতর থেকে ১৬ লাখ টাকা এবং ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার থেকে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯০০ টাকা জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৭৪ হাজার ৯০০ টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক জিয়াউর রহমান স্বীকার করেছেন, উদ্ধার এই অর্থ মাদক বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিয়াউর রহমান একজন তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকায় ইয়াবা ক্রয়-বিক্রির সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আটকের বিরুদ্ধে ঝিকরগাছা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর