নিজস্ব প্রতিবেদক :: গত ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং পর্যন্ত পেশাগত ব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে এবং সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে‘কক্সবাজার আনন্দ ভ্রমণ ও সাংবাদিকদের মিলনমেলা-২০২৬’। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের সংবাদকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
ভ্রমণের মূল আকর্ষণ: ২৯ শে জানুয়ারি শুরু হওয়া এই তিন দিনব্যাপী আনন্দ ভ্রমণে ছিল নানা বৈচিত্র্যময় আয়োজন। টঙ্গী থেকে যাত্রা শুরু করে কক্সবাজারের নীল জলরাশি আর লোনা হাওয়ায় সময় কাটান সাংবাদিকরা। ভ্রমণের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো ছিল: সৈকতে আড্ডা ও ফটোসেশন: লাবনী ও সুগন্ধা পয়েন্টে সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে আনন্দঘন সময় অতিবাহিত করা। মোহনা ও হিমছড়ি ভ্রমণ: ইনানী বিচের পাথুরে সৌন্দর্য এবং হিমছড়ির পাহাড় ঘেরা প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ। রাতের সাংস্কৃতিক উৎসব: সমুদ্রের তীরে আয়োজিত বিশেষ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় অংশগ্রহণ এবং দেশাত্মবোধক গান ও স্মৃতিচারণমূলক আড্ডায় মেতে ওঠেন সবাই।
মিলনমেলায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, “সাংবাদিকরা সবসময়ই চাপের মধ্যে কাজ করেন। এই মিলনমেলা আমাদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করবে। এটি কেবল একটি ভ্রমণ নয়, বরং এটি রিফ্রেশমেন্টের মাধ্যমে আবারও নতুন উদ্যমে কাজের শক্তি জোগানোর একটি মাধ্যম।”
তারা আরও জানান, এই ধরনের আয়োজন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে যা পেশাদারিত্বের পাশাপাশি সামাজিক বন্ধনকেও মজবুত করবে। পাশাপাশি কক্সবাজার আনন্দ ভ্রমণ ২০২৬ ইং আয়োজন করায় টংগী রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি পীরজাদা মোঃ নবাব আলী এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান শাহা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আয়োজন ও সমাপনী পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি বিশেষ আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আনন্দ ভ্রমণের শেষ দিনে র্যাফেল ড্র এবং বিজয়ীদের মাঝে আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা এই চমৎকার উদ্যোগের জন্য ক্লাব কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং গভীর পরিতৃপ্তি নিয়ে টঙ্গীতে ফিরে আসেন।