May 17, 2026, 12:35 pm

নতুন শিক্ষাক্রমে সাতটি স্কেলে এসএসসিতে মূল্যায়ন

Reporter Name
  • আপডেট Thursday, May 30, 2024
  • 146 জন দেখেছে

নিজস্ব  প্রতিবেদক :: নতুন শিক্ষাক্রমে এখনকার মতো পরীক্ষা হবে না। এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল জিপিএর (গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ) ভিত্তিতে হবে না। নির্ধারিত পারদর্শিতা (নৈপুণ্য) অনুযায়ী সাতটি স্কেলে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এই সাত স্তরের হবে অনন্য, অর্জনমুখী, অগ্রগামী, সক্রিয়, অনুসন্ধানী, বিকাশমান ও প্রারম্ভিক। নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার মূল্যায়ন কাঠামোর প্রস্তাবে এমন তথ্য রয়েছে।
বর্তমানে যেসব শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে পড়ছে, তারাই প্রথমবারের মতো নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা দেবে। নতুন শিক্ষাক্রমে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ সালে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। তবে এর পরের বছর থেকে সামষ্টিক মূল্যায়নের (বার্ষিক পরীক্ষা) মতো ডিসেম্বরেই এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, সে রকম ভাবনাও চলছে। শিক্ষার্থীর পারদর্শিতা বা নৈপুণ্য (পারফরমেন্স) অনুযায়ী এ স্তরগুলো নির্ধারণ হবে। ফলাফলের সর্বোচ্চ স্কেল ‘অনন্য’ বলতে বোঝানো হবে শিক্ষার্থী সব বিষয়ে পারদর্শিতার চূড়ান্ত স্তর অর্জন করেছে। রিপোর্ট কার্ডে শিখনকালীন মূল্যায়ন ও পাবলিক পরীক্ষার মূল্যায়নের ফলাফল আলাদাভাবে সাতটি স্তরে হবে। সাতটি স্তরের জন্য থাকবে সাতটি ছক।
নতুন শিক্ষাক্রমে কোনো শিক্ষার্থী যদি দশম শ্রেণিতে ৭০ শতাংশ কর্মদিবসে উপস্থিত না থাকে তাহলে সে পাবলিক মূল্যায়ন বা এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারবে না। আর কোনো শিক্ষার্থী যদি এসএসসি পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয় তাহলে শর্ত সাপেক্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। তবে তাকে পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ বিষয়ে পাস করতে হবে। আর তিন বা তার বেশি বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হলে একাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া যাবে না। বর্তমানে মূলত দশম শ্রেণিতে নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু নতুন শিক্ষাক্রমে নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না। যেসব শিক্ষার্থী নবম শ্রেণি শেষ করে দশম শ্রেণিতে উঠবে তারাই এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে।
নতুন শিক্ষাক্রমে মাধ্যমিকে লিখিত অংশ থাকবে ৬৫ শতাংশ। হাতে-কলমে কার্যক্রমভিত্তিক মূল্যায়ন করা হবে ৩৫ শতাংশ। হাতে কলমে কাজ বলতে অ্যাসাইনমেন্ট করা, উপস্থাপন, অনুসন্ধান, প্রদর্শন, সমস্যার সমাধান করা, পরিকল্পনা প্রণয়ন ইত্যাদি। প্রতিটি বিষয়ে লিখিত ও কার্যক্রমভিত্তিক মূল্যায়ন হবে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী। নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে মাধ্যমিকের পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এখনকার মতো মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষাই রাখা হচ্ছে। এ পরীক্ষা হবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে। বর্তমানে নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচি নিয়ে বর্তমানে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর