May 26, 2026, 8:05 am

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন

দৈনিক বিজয়বাংলা নিউজ ডেস্ক ::
  • আপডেট Thursday, June 1, 2023
  • 142 জন দেখেছে

প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে তুরস্ককে বেছে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। গত ২৪শে এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদেশের কোনো কর্মসূচিতে যাননি তিনি। কূটনৈতিক এবং সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল শুক্রবার তিন দিনের সফরে ঢাকা  ছেড়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। আর তার গন্তব্য ঠিক হয়েছে মডারেট মুসলিম রাষ্ট্র তুরস্ক। ২রা জুন আঙ্কারা পৌঁছাবেন তিনি, ৩রা জুন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগানের শপথের বর্ণাঢ্য আয়োজনে অংশ নেবেন। ভোটের মাঠে ব্যাপক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও টানা তৃতীয় মেয়াদে মসনদে ফিরেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। বন্ধুপ্রতীম দেশটির পুনর্নির্বাচিত প্রভাবশালী প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে বন্ধুত্বের স্মারক হিসেবে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ডেলিগেশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। আর এ কারণেই স্বয়ং প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন।

আঙ্কারার দায়িত্বশীল সূত্র বার্তা সংস্থা তাসকে আগেই জানিয়েছে, শনিবার প্রেসিডেন্ট এরদোগান শপথ নেবেন এবং কার্যভার গ্রহণ করবেন। এরপরই তার সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন এবং সদস্যদের শপথ হবে। ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) মুখপাত্র ওমের সেলিক গণমাধ্যমকে ধারণা দিয়েছেন, ক্ষমতায় ফেরা এরদোগানের মন্ত্রিসভায় ব্যাপক পরিবর্তন আসছে, তবে বর্তমান পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্বপদে বহাল থাকছেন। গত ১৪ই মে তুরস্কে সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

২৮শে মে হয় দ্বিতীয় দফার পার্লামেন্ট নির্বাচন। পরবর্তীতে তুরস্কের সর্বোচ্চ নির্বাচন কর্তৃপক্ষ সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিল এরদোগানকে বিজয়ী ঘোষণা করে। এরদোগান ৫২.১৪ শতাংশ ভোট পান। আর বিরোধী দলীয় প্রার্থী কামাল কিলিচদারগলু পান ৪৭.৮৬ শতাংশ ভোট। এরদোগান ২০০৩ সালে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। একদশকের বেশি সময় পর ২০১৪ সালে ১০ই আগস্ট তিনি দেশটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। সেই থেকে তিনি দেশটির সর্বোচ্চ পদে আছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি’র রিপোর্ট মতে, ২০১৪ সালে রাজধানী আঙ্কারায় এরদোগান যেদিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন সেই অনুষ্ঠানে পূর্ব ইউরোপ, আফ্রিকা, মধ্যএশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন। 

সেগুনবাগিচার তথ্য মতে, সেই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল কিন্তু যুদ্ধাপরাধীর বিচার প্রশ্নে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে টানাপড়েন থাকায় তখন সেটি লো-প্রোফাইলে রাখা ছিল। সময়ের ব্যবধানে তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ইতিবাচক ইউটার্ন নিয়েছে। তিক্ততা ভুলে সম্পর্কের উষ্ণায়নের ওই মধ্যস্থতার জন্য অনেকে বেইজিংকে ক্রেডিট দেন।

উল্লেখ্য, এরদোগানের শপথ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের যাওয়ার কথা ছিল। প্রেসিডেন্টের যোগদানের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মন্ত্রীর বদলে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী হচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছে সেগুনবাগিচা।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর