স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ এ্যাম্পুল বুপ্রেনরফিনযুক্ত কুপিজেসিক ইনজেকশন সরবরাহের মূল কারবারিসহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গতকাল রবিবার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আজ সোমবার এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার আব্দুস সালামের স্ত্রী শেফালী খাতুন (৩০), একই এলাকার মৃত মহির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মোঃ আব্দুস সালাম (৩৮) ও নাটোর জেলা সিংড়া থানা চামারী ইউনিয়নের বিল দহর এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩৮)।
জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর জয়দেপুর হান্ডি বিরিয়ানী খাবারের দোকানের পূর্ব পাশের ফুটপাতে কুপিজেসিক ইনজেকশন সরবরাহের মূল কারবারিসহ ৩জন অবস্থান করছিল। এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় শেফালী খাতুনের ভ্যানিটি ব্যাগের ভিতর পলিথিনে মোড়ানো ৪’শত পিস, অপর আসামি শেফালী খাতুনের স্বামী মোঃ আব্দুস সালামের শপিং ব্যাগের ভিতর পলিথিনে মোড়ানো প্যাকেটে ৩’শত পিস ও মোঃ শহিদুল ইসলামের ট্রাভেল ব্যাগের ভিতর পলিথিনে মোড়ানো প্যাকেটে ৩’শত পিস নিষিদ্ধ নেশা জাতীয় এ্যাম্পুল বুপ্রেনরফিনযুক্ত কুপিজেসিক ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।
গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন জানান, সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদ এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার পিস এ্যাম্পুল বুপ্রেনরফিনযুক্ত কুপিজেসিক ইনজেকশন সরবরাহের মূল কারবারিসহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা স্বীকার করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বুপ্রেনরফিন কুপিজেসিক ইনজেকশন সংগ্রহ করে গাজীপুর জেলার টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় এবং গাজীপুর জেলার পাশ্ববর্তী জেলা সমূহে বুপ্রেনরফিন কুপিজেসিক ইনজেকশন সরবরাহ করে আসছিল।
এ ঘটনায় গাজীপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি’র) সদর থানায় গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন জানান, গাজীপুর মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে সদা তৎপর। নিয়মিত আমাদের মাদক বিরোধী অভিযান চলছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।