নিজস্ব প্রতিবেদক:: রাজধানীর উত্তরার আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কয়েকটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেল রংধনু আবাসিক ও হোটেল পালকি আবাসিককে কেন্দ্র করে নারীদের ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলে এলাকায় আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব আবাসিক হোটেলের কার্যক্রম নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাদের প্রশ্ন—আবাসিক হোটেলের আড়ালে যদি কোনো বেআইনি বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে এর সঙ্গে কারা জড়িত এবং কীভাবে এসব কার্যক্রম চলছে?
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হোটেলগুলোতে আগত অতিথিদের পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা হচ্ছে কি না, অতিথি নিবন্ধন নিয়ম মেনে হচ্ছে কি না এবং হোটেলের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয় জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করা প্রয়োজন।
সচেতন মহলের ভাষ্য, রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আবাসিক হোটেলকে ঘিরে এমন অভিযোগ জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অভিযোগের সত্যতা থাকলে তা শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য নয়, এলাকার সামাজিক পরিবেশের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে কীভাবে দিনের পর দিন এমন অভিযোগ উঠছে? নাকি অভিযোগের বিষয়গুলো যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি?
তবে অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তদন্তের আগে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করাও সমীচীন নয়। তাই নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে কোনো নির্দোষ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ থাকলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি নজরদারি, অভিযান এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর দাবি—অভিযোগ সত্য হলে জড়িতদের কোনো ধরনের ছাড় নয়, দ্রুত তদন্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।