নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিএনজি ফিলিং স্টেশনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ, যানবাহনে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতসহ ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে কয়েকটি সংগঠন। আজ রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১ টায় কারওয়ান বাজার পেট্রোসেন্টারের সামনে মানববন্ধন শেষে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে অংশনেন চব্বিশ ঘণ্টা সিএনজি সরবরাহ বাস্তবায়ন ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ হালকা মোটরযান চালক মালিক ঐক্য পরিষদ, রাইড শেয়ারিং ড্রাইভার ইউনিয়ন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশে ৫০ লক্ষাধিকেরও বেশি সিএনজি গ্যাস গ্রহণকারী গ্রাহক ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট চালক দীর্ঘদিন ধরে সিএনজি ফিলিং স্টেশনসমূহের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে যানবাহনের জন্য বরাদ্দকৃত গ্যাস অবৈধভাবে ক্যাসকেট (গ্যাস বহনকারী) সিলিন্ডারে ভরে বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করায় প্রকৃত ব্যবহারকারী সিএনজি চালিত যানবাহন পর্যাপ্ত গ্যাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এর ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, চালকদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, আয় কমে যাচ্ছে এবং সাধারণ জনগণও যানবাহনের সংকটে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সিরিয়াল উপেক্ষা করে বিশেষ সুবিধা প্রদান, কৃত্রিম গ্যাস সংকট সৃষ্টি, “গ্যাস নেই” বা “পাম্প বন্ধ” ঘোষণা এবং গ্যাস পরিমাপক মিটারে কারসাজির মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
পাঁচ দফার মধ্যে রয়েছে, দেশের সকল সিএনজি ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা, ক্যাসকেট সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, সিএনজি ফিলিং স্টেশনসমূহের জন্য বরাদ্দকৃত ৪.৫ শতাংশ গ্যাসের পৃথক, সরবরাহ লাইন স্থাপন, যানবাহনের জন্য বরাদ্দকৃত গ্যাস শুধুমাত্র বৈধ সিএনজি চালিত যানবাহনে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সকল ধরনের অনিয়ম, মিটার কারসাজি ও গ্রাহক হয়রানি বন্ধে কঠোর তদারকি ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ। মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চব্বিশ ঘণ্টা সিএনজি সরবরাহ বাস্তবায়ন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক বেলাল আহমেদ, সদস্যসচিব সাখাওয়াত হোসেন দুলাল প্রমুখ।