স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেলের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বাৎসরিক সম্মানী ভাতা পান ১৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪২০ টাকা এবং বিশেষ সুবিধাদি হিসেবে পান ৩৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৩৮ টাকা। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। কৃষিখাতে কোন আয় নেই। এছাড়া প্রতিমন্ত্রীর নগদ টাকা স্ত্রীর নগদ টাকার চেয়েও কম।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হলফ নামায় তিনি এসব তথ্য উল্লেখ করেন। তথ্যানুযায়ী, রাসেলের নিজ নামে নগদ টাকার পরিমাণ ১ লাখ ৭১ হাজার ১৫১ টাকা আর স্ত্রীর নামে নগদ টাকার পরিমাণ ৫ লাখ ৮ হাজার ১৩৩ টাকা।
প্রতিমন্ত্রী রাসেল হলফনামায় উল্লেখ করেন, নিজ নামে স্বর্ণের পরিমাণ ১৪০ তোলা আর স্ত্রীর রয়েছে ১৪৮ ভরি সোনা। প্রতিমন্ত্রীর নামে সংসদ সদস্য হিসেবে করমুক্ত গাড়ি রয়েছে তিনটি, যেসবের মূল্য ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৯৩ হাজার ৬৩৪ টাকা আর স্ত্রীর নামেও একটি গাড়ি রয়েছে যার মূল্য হলো ১৩ লাখ টাকা।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত নিজ নামে টাকার পরিমাণ ১৪ লাখ ১৬ হাজার ১৩১ টাকা এবং স্ত্রীর ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩৪৫ টাকা। প্রতিমন্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত টঙ্গীতে ১.৬৫০ শতাংশ, উত্তরায় তৃতীয় প্রকল্পে ৫ কাঠা জমি। আর স্ত্রীর নামে রাজধানীর বনানীতে রয়েছে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত দুইটি ফ্লাট।
ব্যবসায় রাসেলের বাৎসরিক আয় ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা এবং শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ ব্যাংক আমানত ৯৮ হাজার ৩৯০ টাকা। এছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ২৩ লাখ ৭২ হাজার ৮১০ টাকা ও চট্টগ্রাম আবহানী লিমিটেডের শেয়ার রয়েছে ৫ লাখ টাকা। প্রতিমন্ত্রীর ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী রয়েছে ১৭ লাখ টাকার এবং আসবাবপত্র রয়েছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার। প্রতিমন্ত্রীর পৈত্রিক সূত্রে একটি রিভলবার ও একটি শর্টগান রয়েছে। শিক্ষাগত যোগতা হলো স্নাতক পর্যন্ত।