মোঃ জাফর আলী:: গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা, সমাজসেবক এবং মায়ের দোয়া রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান কামরুলের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এসব অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে টঙ্গী পশ্চিম থানার সাতাইশ, হযরত শাহজালাল রোড, দাড়াইল, গুসুলিয়া ও গুটিয়া এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এক সময়ের অনুন্নত ও নিম্নাঞ্চল হিসেবে পরিচিত এসব এলাকায় বর্তমানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শিল্প-কারখানা।
এলাকাবাসীর দাবি, কামরুজ্জামান কামরুলের উদ্যোগ ও বিনিয়োগের মাধ্যমে এসব এলাকায় শিল্পায়নের প্রসার ঘটেছে এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একাধিক পোশাক শিল্প কারখানায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা নারী-পুরুষ শ্রমিক কাজ করছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত তৈরি পোশাক বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এলাকাবাসীর মতে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল। প্রবীণ ও সচেতন নাগরিকদের দাবি, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা বিশেষ সুবিধা ছাড়াই ব্যক্তিগত উদ্যোগ, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কামরুজ্জামান কামরুল এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার উদ্যোগে শিল্পায়নের পাশাপাশি এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নও ত্বরান্বিত হয়েছে বলে তারা মনে করেন। ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও তার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, নিজ অর্থায়নে তিনি একাধিক মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অনুদান দিয়ে আসছেন। এছাড়া এলাকার অসহায় ও দুস্থ মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অতীতে বিভিন্নভাবে সুবিধাভোগী একটি অসাধু চক্র বর্তমানে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কামরুজ্জামান কামরুল প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে নীরবতা বজায় রেখেছেন। প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কামরুজ্জামান কামরুল একজন সৎ, পরিশ্রমী ও মানবিক মানুষ। ব্যক্তি স্বার্থ বা হিংসাত্মক মনোভাব থেকে তার বিরুদ্ধে যারা কুৎসা রটাচ্ছে, আমরা তাদের নিন্দা জানাই। মিথ্যা অপপ্রচারের মাধ্যমে তার দীর্ঘদিনের অবদানকে কখনোই ম্লান করা যাবে না।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত অপপ্রচার ও পাল্টা অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।