August 24, 2026, 12:16 pm

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় বাতিলের দাবিতে গণমিছিল 

Reporter Name
  • আপডেট Sunday, July 27, 2025
  • 113 জন দেখেছে
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় বাতিল, স্টারলিংকের নেটওয়ার্ক বাতিল, আমেরিকার সাথে বাণিজ্য ও নিরাপত্তাচুক্তিসহ দেশবিরোধী-দ্বীন বিরোধী সকল গোপনচুক্তি বাতিলসহ বিদেশী দালাল গাদ্দারদের উৎখাত করে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দাবীতে শুক্রবার জুমুয়া রাজারবাগ শরীফের সুন্নতী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে এক বিরাট গণমিছিল বের করেছেন সাধারণ মুসল্লী সমাজ।মিছিলটি রাজধানীর রাজারবাগ,শাহজাহানপুর, শান্তিনগর,মালিবাগ,এলাকা প্রদক্ষিণ করে।এই প্রতিবাদী মিছিলে অন্তবর্তীকালীন সরকারের বিতর্কিত ও ষড়যন্ত্রমূলক সিদ্ধান্তগুলোর বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়া হয়।বিশেষ করে-জাতিসংঘ জবাব দে-গাজাতে শহীদ কেনো?; কোথায় তোদের মানবাধিকার?-মুসলমান মেরেই উজাড়!;ইহুদিসংঘের মানবাধিকার-বাংলাদেশে চলবে না;মানবাধিকারের ভাওতাবাজি-ইহুদিদের কারসাজি;জাতিসংঘের কার্যালয়-বাংলাদেশে চলবে না;জাতিসংঘের অফিস দিলি কেনো-গাদ্দার তুই জবাব দে;জাতিসংঘের গোলামী-বাদ দে রে,বাদ দে; ইহুদিসংঘের দালালি-বাদ দেরে, বাদ দে -ইত্যাদি স্লোগান মুখরিত হয় মিছিলটি।মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা যেসব কারণে ক্ষমতাসীন তথাকথিত অন্তর্র্বতী সরকারকে উৎখাত করা অপরিহার্য বলে দাবি করেন-
১.কথিত অন্তর্র্বতী সরকার ইসলাম বিদ্বেষী কতিপয় মহিলা দ্বারা নারীবাদী সংস্কার কমিশনের কুফরী প্রস্তাব পেশ করিয়েছে। তারা সমকামীতা, এলজিবিটিকিউ এর বৈধতা চেয়েছে; যৌনাঙ্গের স্বাধীনতা দাবী করেছে এবং কুরআন শরীফে বর্ণিত সম্পত্তি বণ্টন আইনের পরিবর্তন চেয়েছে।
২.কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী এই সব প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য এখন তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় চালু করার অনুমোদন দিয়েছে। জনগণের সঙ্গে পরামর্শ না করে “জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস”স্থাপন করা হয়েছে।
৩.লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান শহীদকারী আরাকান আর্মিকে রাখাইনে কথিত করিডোর বা ত্রাণ চ্যানেলের নামে বাংলাদেশকে একটি প্রক্সি-যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।৪.লাভজনক চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করা হচ্ছে।
৫.আমেরিকার সঙ্গে গোপন বাণিজ্য চুক্তির নামে দেশকে বিক্রির অপচেষ্টা চলছে। এছাড়াও দেশ বিক্রির জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে বহু গোপন চুক্তি করেছে।
৬.কথিত উচ্চগতির ইন্টারনেট “স্টারলিংক”-এর কার্যক্রম অনুমোদনের আলোচনা করেছে। এর মাধ্যমে দেশের তথ্যগত নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ হুমকির মুখে পড়েছে এবং পার্বত্য বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মাথাচাড়া দেয়ার আশংকা তৈরী হয়েছে।
৭.‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের অখ-তার হুমকি সৃষ্টি করা হচ্ছে।৮.কথিত পরিবেশ রক্ষার নামে নারিকেল দ্বীপ (সেন্ট মার্টিন)-কে অঘোষিতভাবে অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে।৯.দেশের সীমান্তে হত্যাকা- ও ‘পুশ-ইন’ অব্যাহত রয়েছে।
১০.কথিত নারী-সংস্কারের নামে কৌশলে সমকামিতা ও পতিতাবৃত্তির বৈধতার মাধ্যমে দেশের ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ ধ্বংসের অপচেষ্টা চলছে। সরকার ইমামদের বেতন কমিয়ে পতিতাদেরকে মাসিক ভাতা দেয়া শুরু করেছে।
১১ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আই.এম.এফ-এর নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে।১২.বিভিন্ন স্থানে কল-কারখানা বন্ধ করে দেশকে দারিদ্রের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এবং শ্রমজীবী গরীব বা নিম্নমধ্যবিত্ত জনগণের আয় উপার্জনের পথকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। সরকার দেশের স্বার্থ ও দ্বীন ইসলামকে বাদ দিয়ে সাম্রাজ্যবাধীদের স্বার্থে কাজ করছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর