নিজস্ব প্রতিবেদক :: ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জে সরকারি ঘর দেওয়ার নাম করে এক অসহায়ের কাছ থেকে১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাইজবাগ ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে। এবিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ২৪শে জুলাই সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজা জেসমিনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের কুমড়া শাসন গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ রাহেলা খাতুন (৬০) এর কাছ থেকে বাবুল চেয়ারম্যান প্রায় এক বৎসর পূর্বে সরকারী ঘর দেয়ার কথা বলে ১৯ হাজার টাকা ঘুষ নেন। পরে ঘর না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখাতে থাকে বাবুল চেয়ারম্যান।দিনের পর দিন ভুক্তভোগী নারী ঘরের অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু ঘর না পেয়ে গত ২৫জুন মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে রাহেলাকে টাকা দিবে না বলে বিভিন্ন ধরনের ভয় ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয় চেয়ারম্যান বাবুল।ভুক্তভোগী রাহেলার মেয়ে সেলিনা আক্তার বলেন, এই টাকার শোকে আমার সম্মানিত বাবা মারা যান।আমার বাবা চেয়ারম্যানের কাছে দীর্ঘ দিন ঘোরাফেরা করেও টাকা উদ্ধার করতে পারেননি। বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ অনেকেই জানেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, টাকা দেয়ার বিষয়ে প্রথমে আমার জানা ছিলনা।পরে বিষয়টি জানার পর বাবুল চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কিছু টাকা ফেরত দিয়েছেন বলে জানান।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম বাবুলের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জের ইউএনও মোসা. হাফিজা জেসমিন বলেনচ ঘর হচ্ছে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার। এবিষয়ে যেহেতু টাকা নেয়ার অভিযোগ হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামীলীগ নেতা প্রতিনিধেকে বলেন ‘বাবুল চেয়ারম্যান’ হয়েই সরকার কতৃক বরাদ্ধকৃত অর্থ কাজ না করেই লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে। বিগত সময়ে লক্ষীগঞ্জ বাজার ড্রেইন সংস্কার বা মেরামত করার জন্য দুই লাখ টাকা অনুদান দেয় ইউএনও অফিস।পরে কাজ না করেই সব টাকা আত্নসাত করে দূর্ণীতিবাজ চেয়ারম্যান বাবুল।এসব দূর্ণীতির নেপত্যে সহযোগীতা করছে ইউএনও’র সিএ মাজহার।বাবুলের চেয়ারম্যনের পদ নিয়েও মামলা চলমান।সে অতি অল্প সময়ের মাঝে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে যায়।