স্টাফ রিপোর্টার :: আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আগামী ২৫ মে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। পুরো গাজীপুরে বইছে নির্বাচনী উৎসবের আমেজ। মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা দিচ্ছেন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড, অলিগলি, সড়ক, মহাসড়ক, ভবনের দেয়ালগুলো মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে গেছে। ভোটাররা বলছেন, শহরের উন্নয়ন, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রাস্তা-ঘাট নির্মাণ, শহরে জলাবদ্ধতা ও ময়লা ভাঁগাড় শহরের বাইরে স্থাপনের উদ্যোগ নেবেন এমন প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন তারা। “স্মার্ট ওয়ার্ড গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে” ৫৬নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা, তরুণ সমাজসেবক এম.এম. নাসির উদ্দিন। তিনি এই প্রথম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন। ৫৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ একজন তরুণ যোগ্য কাউন্সিলর প্রার্থী পেয়েছেন বলে কর্মী ও সমর্থকরা জানান। কাউন্সিলর প্রার্থী এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, গাজীপুরের মাটি ও মানুষের নেতা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের সুযোগ্য সন্তান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মো: জাহিদ আহসান রাসেল এমপি ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী এড. আজমত উল্লা খানের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে আমি দীর্ঘদিন এলাকাবাসীর পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেছি। এই সহযোগিতা এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমি এলাকাবাসীর পাশে থেকে যেন তাদের সেবক হয়ে থাকতে পারি সে জন্যই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি এবং (লাটিম মার্কায়) ৫৬নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছি। এই ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন নিয়ে আমি নির্বাচন করছি। সাধারণ মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। বিগত সময় যিনি ৫৬নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। এ জন্য মানুষ একজন তরুণ প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন। এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, আমার কাছে ধনী-গরিব সবাই সমান। আমি নির্বাচিত হলে দুর্নীতি, মাদক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসমুক্ত একটি ওয়ার্ড গড়ে তুলবো। নিরাপদ ও আধুনিক সুবিধা সম্বলিত একটি ওয়ার্ড গড়ে তোলা হবে। যানজট নিরসনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্ট পার্কিং করার ব্যবস্থা, ভিক্ষুক, পাগল, বেওয়ারিশ ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এছাড়াও এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ ও নদী দূষণ রোধ, পানি সমস্যা সমাধান, নাগরিকদের নিরাপত্তা, ফুটপাত দখলমুক্ত, পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগর স্বাস্থ্য প্রণয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বাসা ভাড়া প্রণয়ন, হকার, ছিন্নমূল ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের পুনর্বাসনকরাসহ সকল সমস্যার সমাধান করবো ইনশাআল্লাহ।