May 25, 2026, 4:55 pm

সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে ভোটারদেরকে ভয় দেখাচ্ছেন প্রতিপক্ষ : কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম

শামীমা খানম ::
  • আপডেট Saturday, May 13, 2023
  • 260 জন দেখেছে

একদিকে নিরাপত্তাহীনতা অন্যদিকে নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আশায় নির্বাচনী কাজের বিঘ্ন হচ্ছে বলে জানান ,৫৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মিষ্টি কুমড়া মার্কায় কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম। কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান, প্রতিপক্ষদের ভয়ে কোন অফিস করতে পারেননি তিনি নির্বাচনী কাজের সহযোগিতার জন্য, যেখানে তার সমর্থকরা বসে সেখানেই বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে ভোটারদেরকে ভয় দেখাচ্ছেন প্রতিপক্ষ। তিনি আরো বলেন ,কিছুদিন আগে নির্বাচনী কার্যালয় নৌকা প্রতীক মেয়র পদপ্রার্থী আজমতউল্লাহর ছবি ও বিভিন্ন চেয়ার টেবিলে হামলা চালিয়ে নৌকার বিভিন্ন ক্ষতি করেন গিয়াস উদ্দিন সরকার এর সমর্থকরা। শুধু তাই নয় এরপর থেকে নজরুল কমিশনারের বাড়ির সামনে পিছনে বিভিন্ন সন্ত্রাসী লোক দিয়ে ২৪ ঘন্টা কড়া নিরাপত্তাই রেখেছে কোন ভোটার যাতে তার বাড়িতে আসা-যাওয়া করতে না পারে। নির্বাচনী ইশতেহার হিসেবে তিনি জানান, পাঁচটি পাড়ার হাজী মাজার বস্তি, শানদার পাড়া, টঙ্গী বাজার, খান পাড়া ,মুন্সিপাড়া, টঙ্গীভরান, আরিচপুর উত্তর, দক্ষিণ সহ ২১০০০ ভোটারদের নির্দিষ্ট কোন অধিকার নেই এইখানে, অধিকার দাবিতে কাজ করবেন তিনি, প্রত্যেকটি পাড়াতেই এখন মাদকের সয়লাব প্রতিবাদ করলে নেমে আসে বিভিন্ন রকমের সন্ত্রাসী হামলা, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধের পাশাপাশি চাঁদাবাজি বন্ধ করবেন। বেকার সমস্যা দূরের পাশাপাশি অসহায় নিগৃহীত নিপীড়িত মানুষদের জন্য সমবায় সমিতির মাধ্যমে বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে ভেঙে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে নিয়ে আসবেন জনগণের সঠিক নিশ্চয়তায়। ভোটাররা জানান ,দুই দুইবার ১০ বছর নির্বাচনে থাকার পরও গিয়াস সরকার এলাকার উন্নয়নে কোন কাজ করেননি। আনারকলি রোড়, নাজিম ডাক্তারের পিছনের রাস্তা, উল্টাসাহ মাজার রোড, মনসুর আলী রোড, সিরাজ উদ্দিন স্কুলের পিছনে রোড, মজিবর খানের বাড়ি রোড, মাজার বস্তি রোড, বউবাজার টঙ্গী বাজার হাজী মাজার, নদীর পাড়, গরুর হাট বউবাজারের আংশিক এলাকায় রাস্তা ও ড্রেনের নেই কোন সংস্কার। ,মমিন সরকারের বাড়ির রাস্তায়, গফুরের বাড়ী রাস্তায় এখন মাদকের মহা উৎসব। নজরুল কমিশনার আরো জানান ,আগে বাজারে ছিল একটি কমিটি এখন বাজারে করেছে একাধিক কমিটি যা পকেট কমিটির নামে পরিচিত। ব্যক্তি স্বার্থের জন্য চাঁদাবাজি করে এখন কমিটির নামে লক্ষ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিপক্ষ একদল। আমাকে মিষ্টি কুমড়া মার্কায় ভোট দিলে আমি সকল সমস্যার সমাধানের চেষ্টায় নাগরিক নিরাপত্তার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি সকল ভোটারদের।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর