May 28, 2024, 3:46 am

আহসান উল্লাহ মাস্টার শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন : মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া

Reporter Name
  • আপডেট Sunday, May 7, 2023
  • 131 জন দেখেছে

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা, ভাওয়াল বীর, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি’র ১৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ রোববার সকাল থেকে টঙ্গী ও তার নিজ গ্রাম গাজীপুরের পূবাইল হায়দরাবাদে টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল দলীয় কার্যালয়ে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও শোক পতাকা, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, দলীয় নেতাকর্মীদের কালো ব্যাচ ধারণ, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, পরিবারের পক্ষ থেকে মিলাদ ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণসহ তার নিজ গ্রাম গাজীপুরের পূবাইলের হায়দরাবাদ মাঠে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীগের সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, গাজীপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী এড. আজমত উল্লা খান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার একজন অকুতোভয়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা ভারতের দেরাদূনে একই সাথে ট্রেনিং করেছিলাম। তিনি একজন আদর্শ শিক্ষকও ছিলেন। একই সাথে শ্রমজীবী মানুষের মহান নেতা ছিলেন। তিনি আমৃত্যু শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন। আজকের এইদিনে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপিকে বড় বেশি প্রয়োজন। বর্তমান শ্রমিক লীগকে ইস্পাত কঠিন ঐক্য ধরে রাখতে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপির আদর্শ ধারন করতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি হত্যার সত্যিকার অর্থে বিচার আমরা আজও পাইনি। সত্যিকার বিচার হলে এই হত্যার মাস্টার মাইন্ডদের মুখোশ বেরিয়ে আসবে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অত্যন্ত প্রিয় নেতা ছিলেন আমার পিতা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি। অথচ বিএনপি জামাত এর খুনী কুচক্রী মহল প্রকাশ্য দিবালোকে ব্রাশফায়ার করে আমার পিতাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। আমি আশা করি, অবিলম্বে এ পাশবিক হত্যার বিচার হবে। আপিল বিভাগ থেকে দ্রুত আপিল নিস্পত্তি হয়ে এই অমানবিক হত্যাকান্ডের রায় কার্যকর হবে। ‘আমার বাবার খুনিদের বিচার চাই। যারা আমার বাবাকে দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে আমাকে পিতৃহারা করেছে তাদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ৭ মে বিএনপি জোট সরকারের মদদপুষ্ট একদল সন্ত্রাসী টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার আইনে এ হত্যা মামলার রায় হয়।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর