November 8, 2026, 9:21 pm

শেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে: রিজভী

Reporter Name
  • আপডেট Sunday, November 8, 2026
  • 26 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “শহীদের রক্ত মাটিতে শুকাতে না শুকাতেই শেখ হাসিনা আওয়াজ দিচ্ছেন, তিনি নাকি দেশে আসবেন! হত্যাকরী আওয়াজ দিচ্ছেন। উনি আসতে পারেন; কিন্তু এই দেশের সরকার, এই দেশের আইন-আদালত যে অঙ্গীকার করেছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে, সেই আইনের শাসন নিশ্চিত হবে। শেখ হাসিনার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে।” আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়া পল্টনে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস (৭ নভেম্বর) উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল।
অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মকাণ্ড রুহুল কবির রিজভী বলেন, “অসংখ্য রাজনৈতিক দল আবার রাজনীতি করার সুযোগ পেল তার আমলে। গ্রামে-গঞ্জে, খেতে-খামারে নতুন করে উৎপাদন শুরু হলো। মাইলের পর মাইল খাল কাটলেন। দেশ আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে উঠল এবং কল-কারখানার চাকা আবার ঘুরল। ফসলের মাঠে উৎপাদন বৃদ্ধি পেল কয়েক গুণ। কারণ, খাল কাটাসহ নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এত ভালো হলো যে, দরজা খুলে ঘুমানো যেত জিয়াউর রহমানের আমলে। এই যে গ্রাম পুলিশ, গ্রামে-গঞ্জে গ্রাম পুলিশ—কার সৃষ্টি? জিয়াউর রহমানের সৃষ্টি। মহিলা পুলিশ কার সৃষ্টি? জিয়াউর রহমানের সৃষ্টি। গ্রামগঞ্জ থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটল। কিন্তু, কুচক্রীরা, ষড়যন্ত্রকারীরা তো বসে থাকে না। এ দেশের এক শ্রেষ্ঠতম দেশপ্রেমিককে হত্যা করল।”
তিনি বলেন, “জাতীয়-আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মধ্যে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আসলেন, আবার গণতন্ত্র হত্যা। বেগম খালেদা জিয়া নয় বছর আন্দোলন করে ১৯৯০-এ গণতান্ত্রিক শক্তি এনেছেন। বিরোধী শক্তি জনগণকে দাবিয়ে রেখে অন্য কোনো দেশের আধিপত্যের মধ্যে দেশকে ঠেলে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। এই আধিপত্যবাদের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেই বিপ্লব, সেই বিপ্লবই হচ্ছে ৭ই নভেম্বর। সেই বিপ্লব হচ্ছে সিপাহি-জনতার বিপ্লব এবং ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবস।”ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, “উনি বলেছিলেন, শেখ হাসিনা না থাকলে নড়াইল থাকবে না। নড়াইল কি নাই বাংলাদেশে এখন? এই সমস্ত চামচা, তাবেদার, উমেদার, মুসাহেবদের দিয়ে তিনি আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছেন। কিন্তু, উনি একটাই ভুল করেছেন, অনেকগুলোই ঠিক করেছিলেন। মনে করেছেন যে, একটার পর একটা উনি সাকসেস হচ্ছেন, বিনা ভোটে উনি নির্বাচন করছেন, বারবার থাকছেন। একটা উনি ঠিক মাপতে পারেননি—জনগণের শক্তি। জনগণের শক্তি যেকোনো মুহূর্তে জেগে উঠতে পারে, এইটা উনি কখনো ভাবেননি, এইটা কখনো উনি চিন্তা করেননি। এই ভুল করার কারণেই উনার নির্লজ্জ পতন হয়েছে এবং বাংলাদেশ থেকে উনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে।”

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর