মোঃ আক্তার হোসেন ঢালি : মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো, এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখা এবং দলমত নির্বিশেষে সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিতি গড়ে তুলেছেন গাজীপুর সদর উপজেলার ১ নম্বর পিরুজালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন। বিনয়ী আচরণ, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার মানসিকতা তাঁর জনসম্পৃক্ততার উল্লেখযোগ্য দিক। একজন জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব হলো জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, নাগরিক সেবা সহজলভ্য করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা। সেই বিবেচনায় পিরুজালী ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার অগ্রগতি, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের বিষয়গুলো গুরুত্বের দাবিদার। চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিনের জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের আলোচনায় এসব বিষয়ও উঠে আসে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ প্রয়োজনীয় সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। পাশাপাশি সরকারি অনুদান ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাতে সহযোগিতা করা। অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা একজন জনপ্রতিনিধিকে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসে। জালাল উদ্দিনের পরিচিতির একটি দিক হলো, তিনি মানুষের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ এবং দলমত নির্বিশেষে সবার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতেন বলে স্থানীয়ভাবে উল্লেখ করা হয়। এলাকার মানুষের সমস্যা শোনা এবং সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার মতো কার্যক্রম স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উন্নয়নের পাশাপাশি প্রয়োজন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি একটি ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; প্রয়োজন পরিকল্পিত অবকাঠামো, কার্যকর নাগরিক সেবা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, পানি নিষ্কাশনের উন্নতি এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধার ন্যায্য বণ্টন। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের মান বজায় রাখা, জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। পিরুজালী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণের প্রসঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিনের দায়িত্বকালীন কর্মকাণ্ড মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও এসব বিষয় বিবেচনায় আসে। এলাকার মানুষের প্রয়োজন ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের যোগাযোগ বজায় রাখা একটি জনবান্ধব ইউনিয়ন গঠনে সহায়ক। সব মিলিয়ে, স্থানীয় পর্যায়ে জনসেবার মূল শক্তি হলো মানুষের আস্থা, আন্তরিকতা এবং দায়িত্বশীলতা। পিরুজালী ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাবেক জনপ্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতা, বর্তমান নেতৃত্বের উদ্যোগ এবং ইউনিয়নবাসীর সম্মিলিত অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি উন্নত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন পিরুজালী গড়ে তোলাই হোক সবার প্রত্যাশা।