স্টাফ রিপোর্টার:: গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার কুনিয়া মধ্যপাড়া এলাকায় একটি পারিবারিক জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গাছা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান আসাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুনিয়া মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. শরিফুল ইসলাম তার চাচার কাছ থেকে একটি জমি কেনার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি বায়নাপত্র সম্পন্ন করেন। ওই বায়নাপত্র সম্পাদনের সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. আসাদুজ্জামান আসাদসহ এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন এবং বায়নার অর্থ লেনদেনও সম্পন্ন হয়।
পরবর্তীতে জমির বিক্রেতা ও ক্রেতা পরিবারের মধ্যে অভ্যন্তরীণ পারিবারিক বিরোধ সৃষ্টি হলে শরিফুল ইসলামকে বায়নাকৃত জমিতে যেতে বাধা দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান আসাদের নাম জড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার অনুসন্ধানে স্থানীয়ভাবে জানা যায়, আসাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনকারী প্রতিবেশী নারী পরবর্তীতে গণমাধ্যমের সামনে এসে পূর্বে দেওয়া বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত না থাকায় অন্যের কথায় বিভ্রান্ত হয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন করেছিলেন। পরে তিনি ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরে বিভ্রান্তি নিরসনের চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, একটি পারিবারিক বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে একজন নির্দোষ ব্যক্তির সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। তারা এ ধরনের অপপ্রচারের নিন্দা জানিয়ে ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানান।