স্টাফ রিপোর্টার :: বিজয়ের রক্তিম ডিসেম্বরের অগ্নিশিখা যখন আকাশে দোল তোলে, তখনই গাজীপুরের টঙ্গীর উত্তর-হাওয়ায় ৩ ডিসেম্বর, বুধবার রাত আটটায় সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্র ও শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের যৌথ আহ্বানে জেগে ওঠে এক দীপ্তিময় সাংস্কৃতিক সমাবেশ যেখানে মুক্তিযুদ্ধের বজ্রগর্জন আর শিল্প-সংস্কৃতির তারুণ্য একাকার হয়ে ওঠে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগ্রামী চেতনার বাতিঘর সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্রের সভাপতি অলিদুর রহমান অলি। ঝংকারিত কণ্ঠে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা শাহজাহান শোভন।
অগ্নিবীণা-ধ্বনির মতো উদ্দীপ্ত বক্তব্য রাখেন, এডভোকেট আরাফাত চৌধুরী, কবি আতিক শাহরিয়ার, পাঠাগার সংগঠক শাহীন কাওসার, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, টঙ্গী শাখার সভাপতি উজ্জ্বল লস্কর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের দপ্তর সম্পাদক অমল কৃষ্ণ রায়, শিক্ষক আলাল সরকার অয়ন, টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান সাহা, নাট্যযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ, সংস্কৃতিযোদ্ধা আদনান, মিজান মীর, রাজু আহমেদ, আশিক মিয়া, শ্রী বাদল রায়, বন্ধু রাফিজুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
আরাফাত চৌধুরীর বলেন, বিজয়ের মাস মানে আগুনে-ঝরা ইতিহাস! যারা মুক্তির তরে অস্ত্রে দাঁড়িয়েছিল, রক্ত দিয়েছিল তারা অক্ষয়, তারা অমর! আজ সেই চেতনার মাসেই প্রিয় রাফিজুলকে জন্মদিনের লাল-রক্তিম শুভেচ্ছা।
রাফিজুল ইসলামের কৃতজ্ঞ স্বীকার করে বলেন, বিজয়ের মাসে আমার জন্ম এ যেন ন্যায়ের যুদ্ধের প্রতি আমার জন্মগত প্রতিজ্ঞা আল্লাহ আমাকে মানুষের সেবায় লড়াই করে যাওয়ার শক্তি দিন। সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্র ও শুচি পাঠচক্রের কাছে আমি আজীবনের ঋণী। শেষে আলোচনার পর শিল্পের তূর্যধ্বনি বাজিয়ে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর কেক কেটে জন্মোৎসব পালিত হলে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বিজয়ের অগ্নিশিখায় মানবতার গান, তারুণ্যের ঝংকার, আর নজরুলের অবিনাশী বিদ্রোহী চেতনা।