জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বপ্ন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত মানের শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। একটি শিক্ষিত জাতি দেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যায়। সেই লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে যেতে শিক্ষার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাই শিক্ষায় ছেলেমেয়েরা এখন ভাল করছে। বিএনপি-জামায়াতের আমলে শিক্ষাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। শুরু করেছিল ব্যবসা ও লুটপাট। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরপরই স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্য প্রযুক্তি মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের উপবৃত্তি, বিনামুল্যে বইসহ সার্বিক ভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন করায়, শিক্ষার পরিবেশ আবারও ফিরে এসেছে। শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষার আলো আজ প্রতিটি ঘরে ছায়া ফেলেছে। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা বিদ্যুতের আলোয় পড়াশোনা করছে। তা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য।
আজ রবিবার দুপুরে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে দিনাজপুর সদর উপজেলার রাণীগঞ্জ রজত বসাক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বিতল একাডেমিক ভবন, পূর্ব পারগাঁও প্রাণ কুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বিতল একাডেমিক ভবন ও শশরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪তলা ভিতসহ নব-নির্মিত ১তলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পৃথক পৃথক বক্তেব্যে প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি এসব কথা বলেন।
এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহীনুর ইসলাাম, দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইমদাদ সরকার, সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল, ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সোহাগ, সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদের সভাপতি আব্দুল লতিফ, ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অভিজিত বসাক, শশরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকসেদ আলী রানা, আওয়ামীলীগ নেতা এস এম খালেকুজ্জামান রাজু, মোতাহার হোসেন, মিজানুর রহমান, হেলাল উদ্দীন প্রমুখ।