শামীমা খানম :: স্থানীয় কাউন্সিলর কর্তৃক মরহুম ডাক্তার আলী আকবরের পরিবারের সদস্যদের বারবার ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে হয়রানি করার পাঁয়তারা ।লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের বাড়ি দখল। ১৯৬৫ সালে মরহুম ডাক্তার আলী আকবর তার পরিবার নিয়ে টঙ্গীর ৪৫ নং ওয়ার্ড বউবাজার নদীরপাড় কেনা নয় শতাংশ জমিতে বাড়ি করেন। দীর্ঘ ৪০ বছর শান্তিতে বসবাস করার পর ১৭ বছর যাবত মরহুম ডাক্তার আলী আকবর মারা যান। ডাক্তার আলী আকবর মারা যাওয়ার আগে থেকেই কতিপয় সন্ত্রাসী বাড়িটি দখল করার জন্য নানাবিদ পায়তারা করে আসছেন জীবিত থাকা অবস্থায়। ২০০৭ সালে মরহম ডাক্তার আলী আকবর মারা যাওয়ার পর তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর নেমে আসে নানাবিধ অন্যায় ,অত্যাচার ও নির্যাতন। গত চার মাস আগে তার স্ত্রী মরহুম খাতুনে জান্নাত মারা যান। মরহুম খাতুনে জান্নাত এই সন্ত্রাসী বাহিনীদের হাতে নির্যাতনের স্বীকার। কিছুদিন যেতে না যেতেই মরহুম ডাক্তার আলী আকবর এর পরিবারের সকল সদস্যদের একের পর থানায় ডেকে নিয়ে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৫ দিন আগে সোহেলকে ওয়ারেন্টের কথা বলে ডাকাতির প্রস্তুতিমূলক মামলা দেওয়া হয়। তার সাত দিন পরই তার ছোট ভাই শিশিরকে এনে মারামারি মামলার ওয়ারেন্ট দেখিয়ে চালান দেওয়া হয়। এ সকল বিষয়টাঙ্গি পূর্ব থানার অফিসার, ওসির সাথে কথা বলা হলে তারা জানান উপর থেকে ফোন আসে আমা দের কিছু করার নেই। মূলত ৪৫ নং ওয়ার্ড স্থানীয় কাউন্সিলর শাহ আলমের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী। মরহুম ডাক্তার আলী আকবর এর পরিবারের সকল সদস্যদের যাতে হয়রানিমূলক কোন ষড়যন্ত্রমূলক মামলা না দেওয়া হয় এ সকল বিষয়ে মাননীয় এমপি গাজীপুর ২ আসন আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার।