বিনোদন ডেস্ক :: শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে গণজাগরণ তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ঢাকা মহানগর এবং জেলা শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক উৎসব চলছে। গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে বাংলার জয়গান, গ্রামীণ লোক ঐতিহ্য, অ্যাক্রোবেটিক, জাদু, নৃত্য এবং সঙ্গীতের জমজমাট পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৪ দিনব্যাপী আয়োজনের দ্বিতীয় দিনের পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুরো আয়োজনের ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। অনুষ্ঠানের শুরুতেই নৃত্য পরিচালক দীপা সরকারের পরিচালনায় ‘খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি ‘ও ‘ধন ধান্য’ গানে নৃত্য পরিবেশন করে কল্যানী নৃত্যাঙ্গন নৃত্যদল। ‘রোলার ব্যালেন্স’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল। সেলিনা হকের পরিচালনায় পরিবেশিত হয় সমবেত নৃত্য ‘নোঙ্গর তোল তোল’।
এরপর কাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল সংগীতদল স্বরলিপি দলীয় সংগীত ‘আমরা করবো জয় ‘ ও ‘আমরা সবাই বাঙালী’ গান পরিবেশন করেন। অ্যাক্রোবেটিক শো’-এর ফাঁকে ফাঁকে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল ‘অংশী’। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন আনন্দিতা খান। আবৃত্তি করেন সামীউল আজিজ। ধারাবাহিক অনুষ্ঠানমালায় ম্যাজিক শো পরিবেশিত হয়। বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ‘হিংসা নিন্দা ছাড়ো’ গানটি পরিবেশন করেন। দলীয় সংগীত ‘চল চল চল ’ ও ‘বান এসেছে মরা গাঙে’ পরিবেশন করেন একাডেমির সংগীতদল সুরধ্বনি।
নৃত্যদল ‘নৃত্যাক্ষ’ ‘দে তালি’ শিরোনামের গানে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। একক সংগীত পরিবেশন করেন সামিউন জাহান রিমি। এরপর সমবেত নৃত্য ‘ঢোল বাজে ঢোল বাজে’, বাংলাদেশের ঢোল’ পরিবেশন করে পরম্পরা নৃত্যদল। বহ্নিশিখা নৃত্যদল পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য-‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ ও ‘আমরা সবাই বাঙালি’। সন্ধ্যায় কন্ঠশিল্পী আগুন পরিবেশন করেন ‘একাত্তরের মা জননী’ ও ‘ও আমার বন্ধুগো’ গানগুলি। সবশেষে একাডেমির পরিবেশনায় ছিল ‘বঙ্গবন্ধু প্রিয় গান’। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন মাশকুরে সাত্তার কল্লোল। শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে ২৯ ডিসেম্বর।