স্টাফ রিপোর্টর :: গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানা অন্তর্গত ৪৮ নং ওয়ার্ডের সর্বজন শ্রদ্ধেয় মধুর মার মাজারের খাদেম নজরুল ইসলাম এর স্ত্রী ও কন্যার অনৈতিক কার্যকলাপে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়,মাজারের খাদেম নজরুল ইসলামের দুই মেয়ে আলো এবং আখি। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সহজ সরল ছেলে দেরকে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের মধ্যে পরিচয় ঘটিয়ে তাদেরকে চা খাওয়ার নিমন্ত্রণ জানিয়ে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে কফি খাওয়ার অজুহাতে ছেলের অজান্তে ছবি তুলে। এই ছবি কে পুঁজি করে এডিট এর মাধ্যমে নোংরা ছবি বানিয়ে এই সহজ সরল ছেলেদেরকে বিয়ে করতে বাধ্য করে। নগদ টাকা ফয়সা আত্মসাৎ করে। তাদেরকে সহযোগিতা করছে নিজের গর্ভধারিণী মা ও কথিত এক সাংবাদিক। এই ফ্যামিলির নামে চারিদিকে ছরিয়ে ছিটিয়ে রয়েছে শুধুই বদনাম। ছোট মেয়ে আখি টঙ্গী পূর্ব থানার মাছিমপুর এলাকার ফাহাদ সরকার নামে একটি ছেলেকে এভাবেই চক্রান্ত করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে। বিয়ের দশ দিনের মাথায় জোর করে ডিভোর্স দিয়ে প্রায় ছয় লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এভাবেই অগণিত ছেলের সাথেই আখি এবং তার বোন আলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছেলেদেরকে নিয়ে মেতে উঠেছে অসামাজিক এই কার্যকলাপে। তাদের কারণে নিঃস্ব হতে বসেছে অনেক সংসার, পুবাইল থানা মধ্য হায়দ্রাবাদ গ্রামের সহজ সরল একটি ছেলেকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে পুবাইল থানায় নারী নির্যাতনের মামলা করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য করে। বর্তমানে ছেলেটি কে ঘরের মধ্যে বন্ধ করে রাখার উপক্রম। ঘর এবং অফিসের বাইরে ছেলেটিকে কোথাও যেতে দেয় না। পাশেই ছেলের মা একা থাকেন। দুই বছর আগে ছেলের বাবা ইন্তেকাল করেছেন ছেলের শোকে ছেলের মা সারাক্ষণই অস্থির। ছেলেকে ছেলের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যেতে দেয় না। এই আখি সর্বসময় এই ছেলের সাথে দুর্ব্যবহার করে, ছেলের মা এবং বাবাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আলো এবং আখির অনৈতিক কার্যকলাপের কারণে ওই এলাকাতে সুস্থ পরিবেশ হুমকির মুখে। আলো এবং আখি ও তার মায়ের কারণে সমাজের কারো সাথেই নেই তাদের সুসম্পর্ক। আরো জানা যায় আঁখি নামের মেয়েটি টঙ্গী পশ্চিম থানা কলেজ গেট এলাকায় একটি দোকান থেকে চুরি করে ধরা খেলে। তার বাবা কাগজে সই করে এই মর্মে যে আমার মেয়ে আর কোনদিন এ ধরনের কাজ করবে না মুচলেকা দিয়ে মেয়েটিকে ছারিয়ে আনেন। এই মেয়ের নামে রয়েছে এলাকাতে হাজারো অভিযোগ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের এটি প্রথম পর্ব।