গতরাতে বৃষ্টির পর থেকেই বাড়তে থাকে পানি। আর সকাল হতেই যাত্রীদের কাছে বিশাল আতংক নিয়ে দেখা দেয় এই ডুবে থাকা সড়ক। পানি নিষ্কাসনের ড্রেনেজ ব্যবস্থাও অপ্রতুল। সকালে ময়লা-আবর্জনায় আটকে থাকা ড্রেন পরিষ্কার করা হলেও ধীর গতিতে পানি নামতে দেখা যায়। প্রয়োজনের তুলনায় ড্রেনে পানি নামার ব্যবস্থাও পর্যাপ্ত নয়।
যদিও বাস্তবে সেই চিত্র এখন ভিন্ন। তবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দায়িত্ব নেওয়ার আগেও সড়কের পুরনো সমস্যা এটি। বিগত দিনেও সামান্য বৃষ্টিতে সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সংস্কারের অভাব ও প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি না করার ফলে এমন দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এদিকে উড়াল সেতুর আগে নিচে সড়কের কাজ হবে কিনা? তা নিয়ে সাধারণ মানুষের শঙ্কা প্রকল্পের শুরু থেকেই।
এ বিষয়ে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ‘রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ, আমরা পাম্পও লাগিয়েছি। সামনের বছর আর এই কষ্ট থাকবে না। মূল ড্রেনের কাজ শুরু হবে দুই এক মাসের মধ্যেই, তখন আর এই সমস্যা থাকবে না। পানি যাওয়ার কোথাও রাস্তা নাই। এর সাথে যোগ হয় ইন্ডাস্ট্রির পানি।’
তিনি আরো বলেন, ‘যখন বৃষ্টি থাকে না তখনও রাস্তার ওপরে পানি থাকে। আমার লোকেরা চেষ্টা করছে, আমিও সাইট থেকে মাত্রই ঘুরে গেলাম। রাস্তাও ভেঙে-টেঙে গেছে, আগামী সপ্তাহেই আমরা ইনশাআল্লাহ রিপেয়ারের কাজ করে ফেলতে পারব, যদি বৃষ্টি না থাকে। বাইপাইল অংশের পানি আজকেই নেমে যাবে, আর জামগড়ায় ফ্যান্টাসি কিংডমের সামনের পানি আশা করি কালকের মধ্যেই নেমে যাবে।’