দৈনিক বিজয়বাংলা নিউজ ডেস্ক :: শুরু হলো শোকের মাস আগস্ট। এ মাসেই সংঘটিত হয়েছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যা করেন একদল বিপথগামী সেনাসদস্য। ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় শোক দিবসের নানা কর্মসূচি পালন করা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় শোক দিবস সামনে রেখে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। সোমবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে মাসব্যাপী শোক দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সকল সহযোগী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসমূহের প্রতি দলের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌর, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ সমস্ত শাখার নেতাদের জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গৃহীত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কর্মসূচি পালনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আগস্টের প্রথম প্রহর থেকেই আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর এসব কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শোকের মাসের শুরু উপলক্ষে ৩১ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে আলোর মিছিল করে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ। একই সময় ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে মৎস্যজীবী লীগ ও ছাত্রলীগ।
এদিকে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ অডিটরিয়ামে কৃষক লীগের আয়োজনে রক্ত ও প্লাজমা দান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা ১১টায় যুব মহিলা লীগ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাবে।
এ ছাড়া ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্যোদয়ের সময় বঙ্গবন্ধু ভবন ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে সংগঠনের সব কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সূত্র: বাসস।