নিজস্ব প্রতিবেদক:: জুলাই আন্দোলনের সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে। পাঁচ বছর কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আরেক আসামি সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে। এই রায়কে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যাতে কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে সেজন্য টঙ্গী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রদল অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। “আজ শান্তির জন্য আমাদের প্রতিবাদ-আগামীকাল তোমাদের শান্তির জন্য” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ সোমবার মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পাহারা দিয়েছেন।
এ সময় টঙ্গী সরকারি কলেজের আহ্বায়ক এম এইচ আরিফ বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার সহযোগীরা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। তাদের প্রতিহত করতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মাঠে রয়েছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের এই অবস্থান। আওয়ামী লীগকে কোনো ছাড় নয়। যেখানেই আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলব। খুনি হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে তার অনুসারীরা অপকর্ম শুরু করেছে। আমরা তাদের প্রতিহত করতে রাজপথে আছি। আমরা শান্তির পক্ষে। কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কেউ করতে পারবে না। আমরা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শান্তির বার্তা পৌঁছ দিতে ও মানুষের জান মালের নিরাপত্তা দিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। কেউ যদি দেশের জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করার চেষ্টা করে তবে তাকে প্রতিহত করা হবে।
অপরদিকে টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক এইচ এম আদনান বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেন শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। আজ এই রায়ের মাধ্যমে কথাটির পূর্ণতা পেলো। আপনাদের নেত্রী আর আসবে না ।