স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য হিমেল বক্স মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে ব্লে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা হিমেল বক্স বলেন, টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব আলাউদ্দিন সুমনের ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগের মো. জুয়েল নিজে মাদক সেবন ও কলেজ ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসা করার জন্য চেষ্টা করে। এতে কলেজ শাখার ছাত্রদল বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে টঙ্গী সরকারি কলেজের আহবায়ক ও আমার নামে মিথ্যা ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা ও টঙ্গী সরকারি কলেজের ছাত্রদলের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় টঙ্গী পূর্ব থানাধীন মরকুন তিস্তা গেইট এলাকায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ডেঙ্গুজ্বরে অসুস্থ থাকায় আহ্বায়কসহ তারা দেখতে গেলে পথিমধ্যে মো. জুয়েল মদ্যপ অবস্থায় আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আরিফের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে বেয়াদবি করলে আমাদের মাঝে একটু বিশৃঙ্খলা হয়। তাৎক্ষণিক আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আরিফ দুজনকে সেখান সরিয়ে দেন এবং আমরা সেখান থেকে চলে আসি। কিছুক্ষণ পর আমরা ফেসবুকে মাধ্যমে জানতে পারি মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাদের নামে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সঠিক তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। ঘটনার বিষয়ে জানতে মো.জুয়েলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নাম্বারে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।
টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব আলাউদ্দিন সুমন জানান, জুয়েল টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। সে আমার লগে রাজনীতি করে। সুমন ঘটনায় দায় স্বীকার করে বলেন,সে আগের ছাত্রলীগ করতেই পারে।এমনও তো হতে পারে তাকে জোর করে কেউ ছাত্রলীগ করতে বাধ্য করছেন।
সুমন বলেন, প্রায় দুই তিন মাস আগে জুয়েলের মাদক খাওয়ার একটি ভিডিও আমার হাতে আসলে আমি তার থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছি।
টঙ্গী সরকারি কলেজের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আরিফ বলেন, অভিযোগকারী ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো এবং আমাদের কমিটির সদস্যও নয়। হিমেল ও জুয়েল কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে জুয়েল বিভিন্নভাবে অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন। এতে টঙ্গী কলেজ ছাত্রদলের স্বনাম নষ্ট হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি বলেই আজ আমার বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র করা করছে।
গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিরন বলেন, বিষয়টি আমরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অবহিত হয়েছি ভূক্তভূগী কেউ আমাকে অবহিত করে নাই, তথাপি আমি ও আমার সভাপতি দুপক্ষের সাথেই কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করছি।
গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রোহানুজ্জামান শুক্কুর বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।