স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় পলিথিন শিট ও ফয়েল কাগজের তৈরি মলাট বিক্রি হচ্ছে ১০টাকায়। আর তিন জনের থাকার প্লাস্টিক বস্তায় তৈরি তিনশ টাকায়। বিশ্ব ইজতেমার ময়দান ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।
বিশ্ব ইজতেমার ৭নং গেটের সামনে পলিথিনে মোড়ানো কাগজের তৈরি মলাট বিক্রি করছিলেন পারভেজ আহমেদ। তিনি বলেন, আমি একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। আমি এক স্বজন কারখানার ঝুট মালামালের ব্যবসা করে। কোন কারখানা থেকে ঝুট হিসেবে কাগজ গুলো বের হয়েছির। সেখান থেকে পাইকারি দরদাম আলোচনা করে আমি ইজতেমায় এনে বিক্রি করছি। মুসল্লিরাও তা কিনে নিচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, ৬টাকায় কাগজ কিনে এনে ১০টাকায় বিক্রি করছি। ৪টাকা লাভ হচ্ছে। কোন মুসল্লির কাছে যদি টাকা কম থাকে চেষ্টা করি তাকে দিয়ে দিতে। সাখাওয়াত হোসেন প্লাস্টিকের বস্তায় তৈরি চট বিক্রি করছিলেন। তিনি জানান, প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমায় চট সংকট দেখা দেয় মুসল্লিদের মধ্যে। এচিন্তায় আগে থেকেই বস্তা তৈরি করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি চারশ টাকা দাম চাচ্ছি। কোন মুসল্লি সাড়ে তিন শ বা তিনশ টাকা দাম বললেও তা দিয়ে দিচ্ছি। তিন শ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব না।
এছাড়াও প্রতি গজ পলিথিন ৬০টাকা দরে বিক্রি করছিলেন আরাফাত হোসেন। তিনি বলেন, এবারের ইজতেমায় কিছু অংশ সামিয়ানা টানানো হয়নি। ময়দান ছেড়ে মুসল্লিরা বসেছেন রাস্তায়। তাই গজ পলিথিন চাহিদায় রয়েছে, আমরা সামান্য কিছু লাভে ৬০ টাকা দরে বিক্রি করছি গজ পলিথিন। পাশেই পটেটো ক্র্যাকার্সের প্যাকেট পলিথিন হিসেবে বিক্রি করছিলেন আনিছ। তিনি বলেন, প্রতি পিচ পলিথিন ২০টাকায় বিক্রি করছি। এতে সামান্য আয় হলেও মুসল্লিদের উপকার হচ্ছে।