July 7, 2026, 4:25 am

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে ॥ ফখরুল

Reporter Name
  • আপডেট Sunday, November 23, 2025
  • 86 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের কথা প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। তাই এ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার একটা সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে।
শনিবার দুপুরে কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মাল্টি পারপাস হলে ‘মউশিক কেয়ারটেকার কল্যাণ পরিষদ’ আয়োজিত ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষায় কেয়ারটেকারগণের দেশ ও জাতি গঠনের অগ্রণী ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
রাজনৈতিক দলগুলোকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে অন্তত এই জায়গাতে ঐক্যবদ্ধ হই যে, একটা সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন সকলের অংশগ্রহণে করে আমরা একটা গণতান্ত্রিক সরকার ও গণতান্ত্রিক পার্লামেন্ট গঠন করি। যার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের সমস্ত সমস্যাগুলোকে তুলে ধরতে পারবো। পার্লামেন্টে আলাপ হবে এবং তার ভিত্তিতে সেই পার্লামেন্টে যে সিদ্ধান্ত হবে সেটাই হবে জনগণের সিদ্ধান্ত। তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই যে পিআর এটা ক‘জন বুঝে? আপনারা তো সাধারণ মানুষের সঙ্গে চলাফেরা করেন। এটার সঙ্গে দেশের মানুষ পরিচিত না। তারা বুঝে, ওয়ান ম্যান ওয়ান ভোট। একজন ব্যক্তি দাঁড়াবে, তার মার্কা থাকবে, আমি ভোট দেব, এটাই আমরা সব সময় সেই আদিকাল থেকে দেখে আসছি। এখন আপনি এটাকে পরিবর্তন করবেন। তার জন্য গণভোট করবেন। গণভোটে থাকবে আবার ‘হ্যাঁ’ ‘না’ । এখন গণভোটের নাকি চারটা প্রশ্ন থাকবে। চারটা প্রশ্ন একটা গণভোটের ব্যালটে থাকবে। এটা এখন পর্যন্ত কেউ বুঝতেই পারছে না, শেষ দিন পর্যন্ত বুঝতেও পারবে না। আমি উনাদের সঙ্গে যখন আলাপ করছিলাম যে, আপনারা এইভাবে জিনিসগুলোকে আনেন যেন মানুষ আস্তে আস্তে ধাতস্থ হতে পারে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, পরিবর্তন তো আমরা চেয়েছি। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া প্রথম ২০১৬ সালে ভিশন-২০৩০ দিয়েছিলেন। অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত কিভাবে দেশ চলবে সে সম্পর্কে তিনি ধারণা দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর দুইবারের বেশি হওয়া উচিত না এগুলো দিয়েছিলেন। পরে ২০২৩ সালে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে প্রথমে ২৭ দফা এবং পরে অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গে আলাপ করে আমরা ৩১ দফা কর্মসূচি দিয়েছি, ওখানে সংস্কারের সবকিছু আছে। সুতরাং আমরা সংস্কার চেয়েছি, সংস্কার চাই। তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে সুপারিশগুলো সরকারের কাছে দিয়েছে তা ঠিক হয়নি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নর্সের সদস্য শাহ মো. নেছারুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মাওলানা মো. জুবাইদুর রহমান, মাওলানা মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর