স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে এক নারীকে বিয়ের করার কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী পূবাইল থানার মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ৯ (খ) ধারায় হিসেবে নথিভুক্ত করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী পেশায় একজন গৃহিণী এবং বিবাহিত। তার একটি সন্তান রয়েছে। অভিযুক্ত আন্তনী কোড়াইয়া তার খালাতো বোনের স্বামী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাদীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ ও সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই সুযোগে আন্তনী কোড়াইয়া ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বাদীনি ও তার স্বামীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। বাদীনি বিষয়টি আসামিকে জানালে তিনি স্বামী-সন্তান ছেড়ে তার সঙ্গে চলে আসার বলেন এবং বিয়ের আশ্বাস দেন।
গত ১২ আগস্ট বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে বাদীনি পাঁচদোনা এলাকায় আসামির সঙ্গে দেখা করতে যান। পরে আসামী তাকে মোটরসাইকেলে করে পূবাইল থানার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সাতপোয়া এলাকার জনৈক কাজলের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একটি বাসা ভাড়া নেন।
এরপর ১২ আগস্ট থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ওই ভাড়া বাসায় আসামি বাদীনিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাদিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বাদীনি বিয়ের জন্য চাপ দিলে আসামি অস্বীকৃতি জানান। এতে প্রতারিত হয়ে বাদীনি থানায় অভিযোগ করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূবাইল থানার এসআই নাসির উদ্দিন সোমবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তালটিয়া এলাকা থেকে তথ্য আন্তনী কোড়াইয়াকে গ্রেফতার করেন। পূবাইল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার আন্তনী কোড়াইয়াকে আজ আদালতে পাঠানো হয়।