স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী :: গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর পাগাড় এলাকায় এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তার স্বামী মো: লিটন মিয়া (৪০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পাগাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সাফিয়া আক্তার (৩৬) স্থানীয় জাবের এন্ড জোবায়ের কারখানায় চাকুরী করেন। সে কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল থানার সাচাইল গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের মেয়ে। অভিযুক্ত লিটন মিয়ার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার সাচাইল গ্রামে। সে পাগাড় এলাকার জনৈক আলবাট হাওলাদারের বাড়ীর ভাড়াটিয়া। পেশায় একজন রিক্সাচালক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাফিয়া পাগাড় এলাকার আলবাট হাওলাদারের বাড়িতে স্বামী লিটন মিয়ার সাথে বসবাস করতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। দুইজনের আয়েই তাদের সংসার চলতো। সংসারের খুঁটিনাটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী লিটন মিয়া সুফিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সাফিয়ার ভাই ওই ভাড়া বাসায় এসে লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। আজ শুক্রবার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সুফিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
সাফিয়ার ভাই এনামুল হক বলেন, গভীর রাতে আমার দুলাভাই (লিটন মিয়া) ভাগ্নি উষা মনির অসুস্থতার কথা বলে আমাকে ফোন তাদের বাসায় আসতে বলে। পরে ভোরে তাদের বাসায় গিয়ে আমার বোনের লাশ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। এ ঘটনা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মো.মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের স্বামীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।