নিজস্ব প্রতিবেদক :: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ১২ ফেব্রুয়ারি সম্পন্ন হয়েছে। সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে জনগণের মাঝে আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিন যাবত নাগরিকরা তাদের কাঙ্খিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। তাই তারা দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের সর্ববৃহত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মাঝে শুরু হয়েছে জল্পনা কল্পনা ও নানা আলোচনা। ইতিমধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা ও গণসংযোগ কার্যক্রম চালাতে দেখা গেছে। ভোটারদের মুখে শোনা যাচ্ছে সংসদ নির্বাচনের মতোই এবারও তারা যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব প্রার্থীকে বেছে নিতে চান।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৩ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নতুন একটি মুখ ইতোমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে হয়ে উঠেছেন। তিনি হলেন গরিব দুঃখীর বন্ধু, নিপীড়িত মানুষের আস্থার প্রতীক, সাংবাদিক সমাজের পরিচিত মুখ পীরজাদা মোঃ নোয়াব আলী।
দীর্ঘদিন ধরে ৫৩ নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে তিনি এলাকাবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। স্কুল, কলেজ, এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় দান অনুদান প্রদানসহ অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি নিজেকে জনমানুষের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সুখে-দুঃখে সব সময় তাঁকে পাশে পাওয়া যায়। পাড়া মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অলি গলিতে এখন তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেকেই তাঁকে প্রতিবাদী, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করছেন। তাদের মতে, ৫৩ নং ওয়ার্ডে একজন সৎ ও পরোপকারী কাউন্সিলর সময়ের দাবি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পীরজাদা মোঃ নোয়াব আলী পেশায় একজন সাংবাদিক এবং টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি প্রতিদিন এলাকার সাধারণ মানুষের খোঁজ খবর নেন এবং নিজের সাধ্যমতো সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন।
একজন বাসিন্দা বলেন, তিনি একজন পরোপকারী মানুষ। তার মতো মানুষ কাউন্সিলর হলে আমাদের জন্য ভালো হবে। এই বয়সে অনেকেই ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে থাকেন। কিন্তু তিনি মানুষের সেবাকেই জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছেন।
পীরজাদা মোঃ নোয়াব আলী গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে নিজের প্রত্যাশা তুলে ধরে বলেন, আমি পদ পদবী চাই না, চাই মানুষের ভালোবাসা। অসুস্থ রোগী, বেকার যুবক, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশে থেকে সব সময় কাজ করেছি। মানব সেবা আমার কাছে নেশায় পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে লালন করি। জনপ্রতিনিধি না হয়েও গোপনে অসহায় মানুষের পাশে থেকেছি। ইনশাআল্লাহ, এবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৩ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করবো। নির্বাচিত হলে দালাল, বাটপার, ভূমিদস্যু ও মাদকের আস্তানা নির্মূলে কাজ করবো এবং একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য ওয়ার্ড গড়ে তুলবো। আমি কাউন্সিলর নয়, জনগণের সেবক হয়ে বাকি জীবন কাটাতে চাই।