নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অবৈধ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের অস্তিত্ব থাকবে না। দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব দুর্বল হবে। শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন তিনি পাশের দেশকে অনেক কিছুই দিয়েছেন যা তারা সারাজীবন মনে রাখবে। আপনি দেশকে উজাড় করে দেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্বকে হুমকির মধ্যে ফেলেছেন। আজ সোমবার নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনশন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের দুই শতাধিক মুক্তযোদ্ধা এই অনশনে অংশ নেন।
রিজভী আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রকে কবর দেওয়ার জন্য, মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করেছেন। এক ভয়ঙ্কর মাষ্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করেছেন। আমি অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছি।
তিনি বলেন, জনগণ অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে, ভোট চোরদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। তাই তারা জনগণের ভোট ডাকাতি করার জন্য আবারও মাষ্টারপ্ল্যান করছে। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে গভীর রাতে, সন্ধ্যারাতে বা দিনের বেলায় ভোট ডাকাতি করতেই সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ১৯৯৪ সালে শেখ হাসিনা বলেছিলেন দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। নির্দলীয় সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তাহলে ওবায়দুল কাদের সাহেবরা এখন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চান কেন? সংবিধানের দোহাই দিয়ে ২৪ ঘণ্টা বাউল সংঙ্গীত গান কেন? আমি পরিষ্কার বলতে চাই, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। এ সরকারকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।
সকাল ১১টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ অনশন কর্মসূচি চলবে। মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ ওলফাতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানের পরিচালানায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, জয়নাল আবদীন ফারুক, ভিপি জয়নাল আবেদীন, শাহজাদা মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) জয়নাল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি হাজী আবুল হোসেন প্রমুখ।