নিজস্ব প্রতিবেদক:: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৩নং ওয়ার্ড বড় দেওড়া কাঁঠাল দিয়া মুদাফা এলাকায় তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্ম। দিনের বড় একটি অংশ বিদ্যুৎহীন থাকার পর সন্ধ্যার পর থেকে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও এলাকার সাধারণ মানুষের।
ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের মতে, শুধু দিনের বেলায়ই নয়, বরং সন্ধ্যার পর যখন বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি থাকে, তখনই লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে একবার বিদ্যুৎ গেলে দীর্ঘ ২-৩ ঘণ্টার আগে ফিরে আসছে না। রাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে বসতে পারছে না। হাতপাখা আর মোমবাতিই এখন তাদের ভরসা। গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ৫৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী পীরজাদা মো: নোয়াব আলী বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বিশেষ করে রাতের বেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমিয়ে আনতে পারলেই জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে।
অপরদিকে স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, মুদাফা ও ভাদাম এলাকায় দুইটি ট্রান্সফমা রয়েছে। এর মধ্যে একটি ১৯০ ইউনিটের ট্রান্সফরমা এবং অপরটি ৯০ ইউনিটের ট্রান্সফরমা আছে। এই দুইটি ট্রান্সফমাই সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিচ্ছে। টঙ্গীর অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ লোডসেডিং হলেও ৫৩নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি লোডসেডিং হচ্ছে। ডেসকো কর্তৃপক্ষের নিকট এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
ডেসকো কর্তৃপক্ষ জানায়, চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি থাকায় এই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পাওয়ায় রুটিন মাফিক লোডশেডিং দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে বাধ্য হয়েই ঘন ঘন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হচ্ছে।