ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি:: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাজার কবির কবিতা উৎসব ও জহিরুল সাহিত্য পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। শনিবার ঈশ্বরগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম হল রুমে হাজার কবির কবিতা সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে হাজার কবির কবিতা সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা কবি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং কবি আমজাদ শ্রাবণ ও সাবরিনা জামান নৈরিতার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহজাহান ফকির, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সুজন সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সম্পাদক নীলকণ্ঠ আইচ মজুমদার, কবি জিতেন্দ্র লাল বড়ুয়া, কবি এবিএম মিজানুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মনি বলেন, কবিতা মানুষের চিন্তাচেতনা ও মানবিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করে। সমাজ ও দেশ গঠনে কবি সাহিত্যিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ অতিথি হিসেবে সুজন সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, কবিতা শুধু মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম নয়, এটি সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরার পাশাপাশি মানুষকে সত্য, সুন্দর ও মানবিকতার পথে এগিয়ে নিতে পারে। ঈশ্বরগঞ্জে এমন আয়োজন সাহিত্যাঙ্গনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। সুজন সম্পাদক নীলকণ্ঠ আইচ মজুমদার বলেন, সাহিত্য মানুষের মননশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কবিদের সম্মাননা ও উৎসাহ প্রদান করলে সাহিত্যচর্চার পরিধি আরও বৃদ্ধি পায়। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহজাহান ফকির বলেন, কবিতা দেশপ্রেমে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে থাকে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে স্বাধীনতাকামী মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাধীনতা অর্জনে কবিগণ কবিতা লিখে উৎসাহিত করেছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে কবি জহিরুল ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কবিদের একত্রিত করে সাহিত্য ও সংস্কৃতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। কবিতার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে আমরা কাজ করে যেতে চাই। কবিতা উৎসবে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ২০ জন কবিকে উত্তরীয়, মেডেল ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। পাশাপাশি সাহিত্যচর্চায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জহিরুল সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।