নিজস্ব প্রতিবেদক:: দীর্ঘ ২৩ বছরেরও বেশি সময় প্রবাসজীবন কাটানোর পর অবশেষে নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন গাজীপুরের মাটি ও মানুষের জনপ্রিয় জননেতা এবং মানবতার বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা জনাব নুরুল ইসলাম দীপু। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দীর্ঘদিনের সব প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে অতি শিগগিরই তিনি প্রিয় মাতৃভূমির মাটিতে পদার্পণ করবেন। জন্মভূমিতে ফিরে দেশের মানুষের পাশে থেকে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। তবে দেশে ফেরার পর আপাতত কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন নুরুল ইসলাম দীপু।
তিনি বলেন, “আমি মানবতার বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা। আমার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে এই মানবিক সংগঠনের কার্যক্রমকে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া। অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখাই এখন আমার মূল উদ্দেশ্য। আপাতত কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ইচ্ছে নেই।”
তিনি আরও বলেন, গাজীপুরের মানুষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে গাজীপুরবাসী যদি তাকে কোনো বিশেষ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানায়, তাহলে জনগণের প্রত্যাশা ও সময়ের বাস্তবতা বিবেচনা করে বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করবেন। নুরুল ইসলাম দীপুর দেশে ফেরার খবরে তার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমর্থকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। গাজীপুরসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত তার অনুসারীরা মনে করছেন, দীর্ঘ প্রবাসজীবনের অবসান ঘটিয়ে তাদের প্রিয় নেতার স্বদেশে প্রত্যাবর্তন গাজীপুরের মানুষের জন্য একটি আবেগঘন ও স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে উঠবে। বিশেষ করে মানবতার বাতিঘরের মাধ্যমে অসহায় মানুষের জন্য সেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার যে পরিকল্পনার কথা তিনি জানিয়েছেন, তা বাস্তবায়িত হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ উপকৃত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ ২৩ বছরেরও বেশি সময় পর স্বদেশের মাটিতে নুরুল ইসলাম দীপুর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে তাই গাজীপুরের রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি আপাতত রাজনীতির চেয়ে মানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণকেই জীবনের প্রধান অঙ্গীকার হিসেবে সামনে রাখতে চান—এমন বক্তব্যই স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। স্বদেশে ফেরার অপেক্ষায় নুরুল ইসলাম দীপু, আর তাকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় গাজীপুরের অসংখ্য মানুষ ও শুভাকাঙ্ক্ষী।