স্টাফ রিপোর্টার :: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ দুলাল মিয়া। ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের অনুরোধ ও প্রত্যাশার পরিপ্রেক্ষিতে আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। দুলাল মিয়ার মতে, একটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন শুধু রাস্তা-ঘাট নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা এবং অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখাও একজন জনপ্রতিনিধির অন্যতম দায়িত্ব।
তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে যেন কোনো নাগরিককে অযথা হয়রানি বা অতিরিক্ত অর্থের দাবি মোকাবিলা করতে না হয়, সে বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সরকারি ও সিটি কর্পোরেশনের জায়গা দখল, অবৈধ স্থাপনা, রাস্তা-ফুটপাত দখল, ময়লা-আবর্জনা যেখানে-সেখানে ফেলা, ড্রেন ও জলাশয় দখল বা ভরাট, অনুমোদনহীন নির্মাণ, মাদক ও কিশোর অপরাধের বিস্তার এবং নাগরিক সেবা প্রদানে কোনো ধরনের অনিয়ম—এসবের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
দুলাল মিয়া বলেন, “আমি সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সেবা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই। ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি গ্রিন ও ক্লিন ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলা আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এজন্য প্রয়োজন আপনাদের সবার সহযোগিতা।” তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদের শাসক হতে চাই না, সেবক হয়ে পাশে থাকতে চাই। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে কোনো অনৈতিক কাজ, অনিয়ম কিংবা নাগরিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। জনগণের অধিকার ও এলাকার উন্নয়নের প্রশ্নে আমি সবসময় সোচ্চার থাকব।” স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও নাগরিকবান্ধব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। দুলাল মিয়ার ‘গ্রিন ও ক্লিন ওয়ার্ড’ গড়ার প্রতিশ্রুতি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থানের বিষয়টি ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। তবে স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান উদ্যোগই একজন জনপ্রতিনিধির প্রতি জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী করবে।