বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি:: জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে প্রায় ২৪ ঘণ্টা শূন্যরেখায় অবস্থানের পর উদ্ধার হওয়া ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজিবি ও বকশীগঞ্জ থানা-পুলিশ যৌথভাবে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মণের কাছে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এ সময় বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবির ধানুয়া কামালপুর কম্পানির কমান্ডার বিল্লাল হোসেন এবং ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে তাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণের ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মণ জানান, প্রায় দুই মাস আগে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণ (৬৮)।এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
বুধবার সকালে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছে বিএসএফ সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার শূন্যরেখা থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় সোপর্দ করে বিজিবি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।