মো: মুর্শিকুল আলম:: তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন| সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লোডশেডিং| তাই শহর ও গ্রামে চাহিদা বেড়েছে হাতপাখার| বর্তমান ডিজিটাল যুগে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে হাতপাখার ব্যবসা| হাতপাখার চাহিদা বাড়ায় নতুন করে জীবিকা নির্বাহে আলোর মুখ দেখছেন সাহিদ বেপারী| তিনি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বাসিন্দা| বর্তমানে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার আমতলী এলাকায় বসবাস করছেন| দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর যাবত এই হাতপাখা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন| প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচে হাতপাখা বিক্রি করেন| বিভিন্ন ধরনের হাতপাখা সাজিয়ে রাখেন দোকানে|
তালপাতার দিয়ে ˆতরি হাতপাখাসহ রঙিন কাপড়ে সুঁই-সুতার কারুকাজ করা নান্দনিক হাতপাখা রয়েছে তার কাছে| তালপাতার ˆতরি প্রতিটি পাখা ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে| অন্যদিকে কাপড়ের ˆতরি পাখা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়|
সাহিদ বলেন, আগে এই পাখার চাহিদা অনেক বেশি ছিল| বর্তমানে প্রচন্ড গরম ও লোডশেডিং এর কারণে এই হাত পাখার বিক্রি বেড়েছে| গরম বাড়লে আয়ও বাড়ে| প্রতিদিন প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি হাতপাখা বিক্রি করে থাকেন|
স্থানীয় ক্রেতারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকলে হাতপাখাই বেশি দরকার হয়| বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক ও খোলা জায়গায় কর্মরত মানুষের জন্য এটি এখনো অপরিহার্য| দাবদাহ বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ| দিনের বেলা প্রখর রোদে তাদের কাজের সঙ্গি হাতপাখা| লোডশেডিংয়ের কারণে বাসাবাড়িতেও হাতপাখাই এখন ¯^স্তি |
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আগে যেখানে হাতপাখা শুধু গ্রামাঞ্চলে বেশি ব্যবহৃত হতো, এখন শহরেও এর চাহিদা বাড়ছে| বিশেষ করে গরম ও লোডশেডিংয়ের কারণে হাতপাখার বিক্রি বেড়েছে|