July 6, 2026, 2:38 am

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন

Reporter Name
  • আপডেট Monday, January 19, 2026
  • 131 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। আজ সোমবার সকাল ৯টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন তারা।
শ্রদ্ধা নি‌বেদন শে‌ষে ইউট্যাবের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম ব‌লেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আজ ৯০তম জন্মবার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমরা তাঁর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসেছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কেবল একজন ব্যক্তি নন; তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের মানচিত্রে একটি নতুন ও গৌরবময় অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি সেই ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রকৃত স্থপতি। বাংলাদেশের যত সফলতা, তার সবকিছুই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এসেছে। তিনি যতদিন দেশের দায়িত্ব পালন করেছেন, ততদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে গেছে। তিনি ছিলেন একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর মতো রাষ্ট্রনায়ক বাংলাদেশে শুধু নয়, বিশ্বেই অত্যন্ত বিরল। একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়কের অভাব আমরা বাংলাদেশে গভীরভাবে অনুভব করছি।
ইউট্যাবের মহাসচিব মোর্শেদ হাসান খান বলেন, আজ আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করছি। তিনি বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অত্যন্ত স্বল্প সময়ে তিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। আইন সবার জন্য—এই নীতিকে সামনে রেখে তিনি দেশ পরিচালনা করেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশে প্রথম শ্রম রপ্তানি শুরু হয়, গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা হয়। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে এত অল্প সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে তিনি অবদান রাখেননি।
তি‌নি আ‌রো ব‌লেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি জন্মগ্রহণ না করতেন, তাহলে আজ বাংলাদেশের জন্ম এত সহজে হতো না। সশস্ত্র যুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বীর উত্তম খেতাব লাভ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশকে একটি উন্নত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁর শাসনামলেই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। এরপর আর কোনো সময় আমরা সেইভাবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক। কোনো দেশের কাছে মাথা নত করেননি। তাঁর সেই ব্যক্তিত্ব ও দেশপ্রেম তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন—সবার আগে দেশ।আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা ক‌রি। আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশত নসিব করেন—এই দোয়া করেছি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর