July 9, 2026, 10:52 am

প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড পেলেন ঈশ্বরগঞ্জের ৭ কৃতি শিক্ষার্থী

Reporter Name
  • আপডেট Saturday, September 20, 2025
  • 132 জন দেখেছে

ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি :: বাংলাদেশ স্কাউটসের স্কাউট শাখার সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার চরনিখলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ কৃতি শিক্ষার্থী। ময়মনসিংহ জেলায় ২২ জনের মধ্যে ৭ জনই ঈশ্বরগঞ্জের বলে জানা গেছে। অ্যাওয়ার্ড অর্জনকারীরা হলেন, দুই বোন নৌসিন তাবাসসুম প্রিতি ও সামিরা তাহসিন তিথী। অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন মার্জিয়া আক্তার বৃষ্টি, মাইশা মেহজানিন, আরাফ আফনান তুষার, মেহেদী হাসান রাফি ও মাসনুন হাসান নিরব। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রোগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোছা. মাহফুজা পারভীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে ওই ৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে ২০২৪ সালের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বয়েজ স্কাউট লিডার মাসুদ আহম্মেদ খান ও গার্লস স্কাউটের লিডার আছমা বেগম জানান, ৭ শিক্ষার্থীর এই অর্জন কোনো তাৎক্ষণিক সাফল্য নয়, এটি দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, সমাজসেবা এবং নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার ফল। এই অ্যাওয়ার্ড অর্জনে একজন স্কাউটকে উপজেলা, জেলা, অঞ্চল এবং জাতীয় পর্যায়ে লিখিত, মৌখিক, ব্যবহারিক ও সাঁতারসহ বহু ধাপের পরীক্ষায় সফলভাবে অতিক্রম করতে হয়। এ ছাড়া বাধ্যতামূলকভাবে অর্জন করতে হয় কমপক্ষে ১৬টি পারদর্শিতা ব্যাজ, যার মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসা, ক্যাম্পিং, পরিবেশ সুরক্ষা, রান্না, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমাজসেবা, নেতৃত্ব গুণাবলি ইত্যাদি।
দুই বোন প্রিতি ও তিথি তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘এই স্বীকৃতি আমাদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি দায়িত্বের। আমরা অর্জন উৎসর্গ করছি আমাদের অভিভাবক ও স্কাউট লিডারদের প্রতি, যারা আমাকে সব সময় অনুপ্রাণিত করেছেন। ভবিষ্যতে আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই।
এ বিষয়ে চরনিখলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তুফা বলেন,‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত এই অ্যাওয়ার্ড একজন স্কাউটের জীবনে অনন্য গৌরবের প্রতীক। এটি তার আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব গুণ বিকাশে অনুপ্রেরণা যোগাবে।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্কাউটের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, ‘এদের এই অর্জনের পেছনে কারিগর ছিলেন শরীরচর্চা শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকরা। তাদের পরিশ্রমের ফসলই আজকের এই স্কাউট অ্যাওয়ার্ড। স্কাউটিং শুধু শারীরিক কৌশলের চর্চা নয়, এটি একজন মানুষকে আত্মনির্ভরশীল ও মানবিক করে গড়ে তোলে। আমরা এখন কোয়ালিটি স্কাউটিং নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি, যাতে ভবিষ্যতে আমাদের গ্রুপ থেকে আরও প্রেসিডেন্ট’স অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী স্কাউট তৈরি হয়। ইউএনও বলেন, ‘আমি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুতই এই সাতজনকে সংবর্ধিত করব।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর