শারমিন খানম:: গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ আসনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রয়াত অধ্যাপক এম এ মান্নানের সুযোগ্য সন্তান হিসেবে তিনি রাজনীতির মঞ্চে নতুন উদ্যমে আবির্ভূত হয়েছেন।
গাজীপুরের রাজপথ এখন মুখরিত তার সমর্থকদের স্লোগানে—রনি ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন।এ স্লোগানে অলিগলি, জনপথ, বাজার-ঘাট ভরে উঠেছে পোস্টার, ব্যানার আর ফেস্টুনে।
রনি বলেন—খালেদা-তারেকের নেতৃত্বেই আগামীর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে,গাজীপুরসহ সারা দেশে আজ পরিবর্তনের সুবাতাস বইছে, জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার ফেরত চাইছে।
তিনি তার প্রয়াত পিতার রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করে বলেন—আমার বাবা অধ্যাপক এম এ মান্নান শুধু গাজীপুর নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। আমি তার স্বপ্ন পূরণের শপথ নিয়েই রাজপথে নেমেছি। রাজনীতিতে নবীন হলেও তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে একাধিক মামলার আসামি এবং নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। গাজীপুরে অধ্যাপক এম এ মান্নানের অনেক জনপ্রিয়তা রয়েছে। বাবার অবর্তমানে দলীয় নেতা-কর্মীদের সহানুভূতি ও সমর্থন রয়েছে রনির প্রতি।
বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফাকে আগামী বাংলাদেশের পথনকশা আখ্যায়িত করে রনি আরও বলেন—অবাধ নির্বাচন, দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কৃষক-শ্রমিক-প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং মানবাধিকার ফিরিয়ে আনার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন—বেগম খালেদা জিয়া আজও গণতন্ত্রের প্রতীক হয়ে লড়ছেন। আর তারেক রহমান আধুনিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশ গড়তে প্রস্তুত।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহল মনে করছে, প্রয়াত এম এ মান্নানের রেখে যাওয়া জনপ্রিয়তা আর রনির সক্রিয় নেতৃত্বে গাজীপুর বিএনপি নতুনভাবে সংগঠিত হচ্ছে। ভোটারদের অনেকে মনে করছেন— রনি শুধু একজন নেতা নন, তিনি প্রয়াত এম এ মান্নানের উত্তরসূরি ও জনগণের স্বপ্নের প্রতীক।