আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: নেপালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ পদক্ষেপকে নেপালের ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, আকস্মিক এই সরকার পরিবর্তনের পর এনজিও বা কোনো বহিরাগত শক্তি ক্ষমতায় বসতে পারেনি। বরং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমঝোতা ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নেতৃত্ব পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ঘটনায় নেপালের গণতান্ত্রিক কাঠামো আবারও টিকে থাকার প্রমাণ মিলেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৫ মার্চ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ঘোষণা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলা দেশটির জন্য নতুন আশার আলো হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন এই সরকার মূলত নির্বাচন আয়োজন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই কাজ করবে। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলমান দলীয় টানাপোড়েন, সীমান্ত রাজনীতি এবং আঞ্চলিক প্রভাব নেপালের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে কতটা সহজ করবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তবে আপাতত জনগণের দৃষ্টি এখন আসন্ন নির্বাচনের দিকে। নেপালিরা প্রত্যাশা করছে, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা পাবে।