July 9, 2026, 12:27 pm

টঙ্গী সাব রেজিস্ট্রি অফিসটি এখন দুর্নীতির আখড়া!

Reporter Name
  • আপডেট Monday, June 2, 2025
  • 198 জন দেখেছে

স্টাফ রিপোর্টার:: গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘুষ ও দুর্নীতির খবর ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া প্রকাশিত হয়েছে। এইসব ঘুষ ও দুর্নীতির খবর প্রকাশের পরও টঙ্গী সাব রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লিখক ও ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এতে সেবা নিতে আশা গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।
এদিকে রেকর্ড রুমে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য চলছেই। কর্মকর্তাদের ভাগাভাগি নীতিতে বাড়ছে সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কঠোর না হওয়ায় জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ। রেকর্ড রুমের দায়িত্বে থাকা সাব-রেজিস্ট্রার দলিলের সইমোহর নকল তোলার রেকর্ড রুম। সেবাপ্রার্থীরা নকল তুলতে তল্লাশিকারকদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ২০ টাকার কোর্ট ফি ও স্ট্যাম্প দিয়ে আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে রেকর্ড কিপারের কাছে প্রতি নকলে জমা দিতে হয় ১৩৫০ টাকা। জমির রেজিস্ট্রিকৃত মূল্য ও পাতা অনুযায়ী নকলপ্রতি গড়ে সরকার রাজস্ব পায় ৪০০-৫০০ টাকা। বাকি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা ঘুষ হিসেবে রেকর্ড রুমে দৈনিক ৪০০-৫০০ নকলের আবেদন জমা পড়ে। মাসে জমাকৃত আবেদনের সংখ্যা দাঁড়ায় আট হাজার থেকে ১১ হাজার। নকলগুলো থেকে গড়ে ৮৫০ টাকা করে মাসে পৌনে এক কোটি টাকার বেশি ঘুষ আদায় করা হয়। দুদক যদি চিহ্নিত ব্যক্তির দুর্নীতি প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নিতে না পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের কী উপকার হল? জনস্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এ বিষয়ে টঙ্গী সাব রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লিখক ও ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর